শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালুর মাধ্যমে মানুষের বাক্স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যাতে দেশে আর কোনো ধরনের স্বৈরাচারী কিংবা দমনমূলক রাজনৈতিক সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
শনিবার (২০ জুন) মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (মাভাবিপ্রবি) আয়োজিত শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘তাঁর জীবন, কর্ম ও আদর্শ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দেশের চরম রাজনৈতিক সংকটের সময় জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তিনি ভঙ্গুর দেশ পুনর্গঠন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল গণতন্ত্র, আর সেই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতেই তিনি বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। মানুষের মত প্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর দর্শনের অন্যতম ভিত্তি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছে এবং জনগণই ভবিষ্যতে সরকারের কার্যক্রমের সঠিক মূল্যায়ন করবে। এই সময় তিনি রাজনৈতিক বিভাজন ও অনৈক্যের পথ পরিহার করে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান। বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন মাভাবিপ্রবি-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সময়ের আলো/জেডি