যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে লেবাননকে অন্তর্ভুক্ত করা এবং সমঝোতা স্মারকে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের একতরফাভাবে অন্তর্ভুক্ত করার ধারাকে ঘিরে ইসরায়েলের অসন্তোষের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্তই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ও অংশীদারদের স্বার্থের পরিপন্থী হবে না।
বাহরাইনে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)-এর এক বৈঠকে তিনি বলেন, আমরা এমন একটি শান্তির পক্ষে, যা হবে স্থায়ী ও বাস্তবসম্মত এবং যা যুক্তরাষ্ট্র কিংবা তার মিত্রদের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।
রুবিও আরও সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর টোল বা ফি আরোপ করে, তবে তা বিশ্বের অন্যান্য আন্তর্জাতিক জলপথেও ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং এতে বৈশ্বিক নৌ-পরিবহনে “সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলা” সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক জলপথ কোনো একক দেশ বা রাষ্ট্রের মালিকানাধীন নয়। এটি বর্তমান বিশ্বের একটি মৌলিক নীতি। এই নীতি না থাকলে বিশ্ব সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়ে যেত।
রুবিও বলেন, যদি আমরা মেনে নিই যে কোনো আন্তর্জাতিক জলপথ একটি দেশের ভূখণ্ডের কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে চলাচলের জন্য অর্থ আদায় করা যাবে, তাহলে এই প্রবণতা সংক্রামক রোগের মতো সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি চায়, তবে যেকোনো মূল্যে নয়।
ইরান যে অর্থ আদায়কে ‘টোল’ নয়, বরং ‘সেবামূলক ফি’ হিসেবে বর্ণনা করছে, তা প্রত্যাখ্যান করে রুবিও বলেন, দিনের শেষে এগুলো কেবল শব্দের মারপ্যাঁচ মাত্র।
সূত্র : আল-জাজিরা
সময়ের আলো/ইউএমএইচ