স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলা। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ দেশটিতে কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দেশে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) প্রাথমিক মূল্যায়নে জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
এ ভূমিকম্পের তীব্র কম্পন প্রতিবেশী দেশ কলম্বিয়াতেও অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর ভেনেজুয়েলা, আরুবা ও বোনেয়ারের জন্য জারি করা হয়েছে সুনামি সতর্কতা।
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে ভেরোনিকা তার মাকে নিয়ে বসবাস করেন। ভূমিকম্পের পর ইন্টারসেবা বন্ধ থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ভেরোনিকার আরেক বোন কথা বলতে পারেনি পরিবারের সঙ্গে। ইন্টারনেট সেবা চালু হওয়ার পর হোয়াটসঅ্যাপে ভেরোনিকার একটি অডিও বার্তা পাই।
সেই অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়ে বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘বোন ভেরোনিকা ফোন রাখার আগে বলল, ‘‘বোন, আমি ভেবেছিলাম আমরা বুঝি মরেই যাব’।’
তিনি আরও বলেন, এরপর এক বন্ধু আমাকে ‘লস পালোস গ্রান্দেস’ এলাকার একটি ভবনের ভিডিও ক্লিপ পাঠায়; ভবনটি যেন বিস্কুটের মতো ভেঙে পড়ল। আমি সঙ্গে সঙ্গেই জায়গাটি চিনতে পারলাম— ভেরোনিকা ও মা যেখানে ছিলেন, সেখান থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরেই ছিল ভবনটি।
বিবিসিকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ওই নারী আরও বলেন, ‘ততক্ষণে ওই এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির খবরের কারণে আমার ফোনে অনবরত নোটিফিকেশন আসছিল। আমি ভীষণ দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম।’
সময়ের আলো/জেডি