৪শ কোটির ৭ তারকায় পা পড়েনি কারও

সাইফুদ্দিন তুহিন, (চট্টগ্রাম) ও এনামুল হক নাবিদ আনোয়ারা

জাতীয়

৪০০ কোটি টাকার অতিথিশালায় কখনো পা পড়েনি কোনো অতিথির। নির্মাণের পর সুনসান নীরবতায় কেটেছে বছরের পর বছর। দৃষ্টিনন্দন সুইমিংপুল থেকে

2026-06-28T00:23:56+00:00
2026-06-28T00:28:13+00:00
 
  রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬,
১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
জাতীয়
৪শ কোটির ৭ তারকায় পা পড়েনি কারও
সাইফুদ্দিন তুহিন, (চট্টগ্রাম) ও এনামুল হক নাবিদ আনোয়ারা
প্রকাশ: রোববার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১২:২৩ এএম  আপডেট: ২৮.০৬.২০২৬ ১২:২৮ এএম
চট্টগ্রামের আনোয়ারার পারকি সৈকত এলাকায় সমুদ্রতীরে ৪০০ কোটি টাকার অতিথিশালা। ছবি : সময়ের আলো
৪০০ কোটি টাকার অতিথিশালায় কখনো পা পড়েনি কোনো অতিথির। নির্মাণের পর সুনসান নীরবতায় কেটেছে বছরের পর বছর। দৃষ্টিনন্দন সুইমিংপুল থেকে হেলিপ্যাড, বাংলো, রেস্টহাউস সবই আছে বিলাসবহুল অতিথিশালায়। আনোয়ারার পারকি এলাকার বিলাসবহুল এই স্থাপনা নির্মাণ নিয়ে আছে নানা প্রশ্ন। 

কথিত আছে এই অতিথিশালা সাত তারকা মানের। এটি পতিত সরকারের অর্থ নয়ছয়ের উদাহরণ হিসেবে টিকে আছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বিলাসবহুল এসব স্থাপনা নিয়ে মন্তব্য করেছেন। গত মে মাসে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, টানেলের ওপারে কতগুলো স্ট্যান্ডার্ড বেশ লাক্সারিয়াস অ্যাপার্টমেন্ট বা বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছে। যার কোনো প্রয়োজন ছিল না। তবে অব্যবহৃত অতিথিশালা এবার ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে সেতু বিভাগ। 
ইতোমধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ১৩ জুলাই টেন্ডার জমা নেওয়া হবে। এরপর ২৯ বছরের জন্য সর্বনিম্ন দরদাতার কাছে লিজ দেওয়া হবে। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টানেল নির্মাণ প্রকল্পের জায়গায় নির্মাণ করা হয় অতিথিশালা। আর এই অতিথিশালা টানেল প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। এই অতিথিশালায় আছে ছয় কক্ষের প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুট আয়তনের সুসজ্জিত বাংলো। বাংলোর সামনে সুইমিংপুল, ৩০টি রেস্টহাউস বা বিশ্রামাগার, টানেলের একটি রেপ্লিকা, সম্মেলন কেন্দ্র, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হেলিপ্যাড, মসজিদ, পুলিশ স্টেশন, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, চট্টগ্রামের ঐতিহ্য নিয়ে একটি জাদুঘর। 

বাংলো ও রেস্টহাউসে আছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা। এসব এসির ক্ষমতা ১ হাজার ১৮২ টন। অতিথিশালার পুরো এলাকার নাম দেওয়া হয়েছে ‘সার্ভিস এরিয়া’। চট্টগ্রামের আনোয়ারা এলাকায় টানেলের দক্ষিণ প্রান্তে পারকি খালের পাশে এই এরিয়ার অবস্থান। পারকি সমুদ্রসৈকত যাওয়ার পথে চোখে পড়ে বিশাল এসব স্থাপনা। 

বিলাসবহুল এই স্থাপনা নির্মাণ ঘিরে প্রশ্নের শেষ নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় নানা মন্তব্য করেন। সবার একই কথা কেন এত বড় স্থাপনা তৈরি করা হলো। কেন রাষ্ট্রের বিপুল অর্থের শ্রাদ্ধ হলো। 

এ ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান মঙ্গলবার দুপুরে সময়ের আলোকে বলেন, টানেল প্রকল্পের অংশ হিসেবে সার্ভিস এরিয়ায় বিলাসবহুল স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। ওই সময় বলা হয়েছিল প্রকল্পের প্রকৌশলীরা সেখানে থাকবেন। আসলে সেখানে তারা থাকেনি। সেটি অবহৃত পড়ে আছে। টানেল প্রকল্পের জন্য বিলাসবহুল এসব স্থাপনা নির্মাণ করার প্রয়োজন ছিল না। 

তবে বিভিন্ন বড় পরিসরের সেতু বা স্থাপনার আশপাশে এ ধরনের আবাসিক স্থাপনা নির্মাণ হয় জানিয়ে তিনি বলেন, দেশ-বিদেশে অতিথিদের থাকার জন্য বা প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আবাসন সুবিধার জন্য এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ হয়। দেশের বড় বড় প্রকল্প এলাকার পাশে আবাসিক স্থাপনা আছে।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সৈয়দ রজব আলী সময়ের আলোকে বলেন, টানেলের অংশ হিসেবেই আছে আনোয়ারা ‘সার্ভিস এরিয়া’। এই সার্ভিস এরিয়ার মধ্যে হেলিপ্যাড, সুইমিংপুল থেকে কটেজসহ নানা স্থাপনা আছে। নির্মাণের পর দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় আমরা এখন লিজে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। আগামী ১৩ জুলাই টেন্ডার জমা নেওয়া হবে। এরপর যিনি সর্বনিম্ন দরদাতা হবেন তাকে ২৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, সার্ভিস এরিয়ার কিছু স্থাপনা নিজেদের কাছে রাখা হবে। বাকি সবগুলো স্থাপনা বিশেষ করে কটেজ বাংলোগুলো লিজদাতার অধীনে থাকবে। এখানকার স্থাপনাগুলোতে সাধারণ ব্যবহারকারীরা ভাড়ার বিনিময়ে ব্যবহার করতে পারবেন। আমরা অল্প কিছু কটেজ রেখেছি। যাতে ঢাকা থেকে কোনো পদস্থ কর্মকর্তা এলে থাকার ব্যবস্থা থাকে। 


সার্ভিস এরিয়ার স্থাপনাগুলো কাগজে-কলমে অতিথিশালা নামে নেই জানিয়ে তিনি বলেন, বিলাসবহুল এসব স্থাপনা সার্ভিস এরিয়ার অংশ। আমরা অতিথিশালা মনে করি না। এসব স্থাপনার বাংলো বা কটেজ সাত তারকা মানের কি না জানি না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, অতিথিশালা নির্মাণ করা হয়েছিল ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য। 

তিনি টানেল এলাকায় সফরে এলে সেখানে থাকার ব্যবস্থা হিসেবেই নির্মাণ করা হয়েছে। তবে নির্মাণের পর কোনো অতিথির পা পড়েনি। এক দিনের জন্য চালু হয়নি অতিথিশালা। সুইমিংপুলে কেউ নামেননি। আর হেলিপ্যাডে কখনো কেউ হেলিকপ্টার দেখেননি। শেখ হাসিনাও কখনো সেই অতিথিশালায় অতিথি হিসেবে আসেননি।

তারা জানান, অপ্রয়োজনীয় এই নির্মাণযজ্ঞের হোতা হিসেবে নাম আছে পলাতক সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের। টানেল প্রকল্পের কাজ যখন শেষের দিকে তখনই অতিথিশালা যুক্ত করা হয় প্রকল্পকাজে। অথচ শুরুর দিকে এই ব্যবহুল স্থাপনা নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা ছিল না।

এদিকে অতিথিশালার কাছে পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে ১৩ একরের বেশি জমিতে ৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক পর্যটন কমপ্লেক্স নির্মাণ হচ্ছে। প্রকল্পকাজ হাতে নেওয়া হলেও শেষ করা যায়নি তবে কাজ প্রায় শেষের পথে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এই প্রকল্পেও তৈরি হচ্ছে ১০টি একক বা সিঙ্গেল কটেজ, চারটি ডুপ্লেক্স কটেজ এবং তিন তলার একটি মাল্টিপারপাস ভবন। পর্যটন কমপ্লেক্সে হ্রদ ও শিশুদের খেলাধুলার জায়গাও আছে সেখানে। 

পর্যটন করপোরেশনের প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়ই কাছাকাছি বিলাসবহুল অতিথিশালা নির্মাণ নিয়ে আছে বিস্তর সমালোচনা। পারকি সমুদ্রসৈকতের যে পরিমাণ দর্শনার্থী আসেন তাতে সওজ এবং পর্যটন করপোরেশনের দুটি বড় স্থাপনার প্রয়োজন আছে কি না প্রশ্ন আছে। 

আয় বাড়েনি টানেলে : 

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত হয় দেশের প্রথম টানেল। ব্যয় হয় ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা। চালুর পর থেকে প্রত্যাশিত আয় বাড়েনি। আয়ের চেয়ে পরিচালন ব্যয় এখনও অনেক বেশি। সমীক্ষায় বড় ধরনের গোঁজামিল থাকার অভিযোগ ছিল আগে থেকেই। তড়িঘড়ি করে মেগা প্রকল্পের কাজে হাত দেওয়া হয় এমন অভিযোগ নির্মাণ কাজে সংশ্লিষ্টদের। যার খেসারত দিতে হচ্ছে পুরো দেশকে। টানেলে প্রতি বছর গাড়ি চলাচল বৃদ্ধির কথা ছিল। কিন্তু উল্টো গাড়ি চলাচলের সংখ্যা কমেছে।

২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর থেকে চলতি ২৩ জুন যানবাহন চলাচল করেছে প্রায় ৩৭ লাখ। গড়ে প্রতিদিন তিন হাজার ৮৭৮টি গাড়ি টানেল দিয়ে চলাচল করেছে। চলাচলের ক্ষেত্রে টানেলের সমীক্ষা প্রতিবেদনের কোনো মিল নেই। সমীক্ষা মতে প্রথম বছরেই প্রতিদিন গড়ে ১৭ হাজার ২৬০টি যানবাহন চলাচলের কথা। আর ২০২৫ সালে প্রতিদিন ১৯ হাজার ৬৬৯টি, ২০২৬ সালে প্রতিদিন ১৯ হাজার ৬৬৯ থেকে ২৮ হাজার যানবাহন চলাচল করার কথা। 

সমীক্ষার সমান গাড়ি চলাচল এখনও শুরু হয়নি। ২৩ সাল থেকে ২৬ সালের মাঝামাঝি এসে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বর্তমান হিসাবে সমীক্ষার সাত ভাগের এক ভাগ গাড়ি চলছে। টানেলের লাইফটাইমের মধ্যে সমীক্ষার অন্তত কাছাকাছি যানবাহন না চললে বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশের অন্যতম বড় এই প্রকল্প থেকে সরকার সুফল পাচ্ছে না। প্রতিদিন আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি। পরিচালন ব্যয়ের কাছাকাছি হচ্ছে না আয়। 

সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর টানেলটি উদ্বোধনের পরদিন থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত গাড়ির টোল থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ১০৬ কোটি টাকার বেশি। প্রতিদিন গড়ে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ৩৭ লাখ টাকার বেশি। এই হিসাবে টানেল থেকে রাজস্ব আয়ের বিপরীতে ব্যয় বেড়েছে প্রায় সাড়ে তিনগুণ। আয়ের চেয়ে প্রতিদিন ব্যয় বেড়েছে প্রায় সাড়ে ২৬ লাখ টাকা। তবে এর মধ্যে পরিচালন ব্যয় কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন ৩৭ লাখ টাকার স্থলে ব্যয় নামিয়ে আনা হয়েছে ২০ থেকে ২২ লাখ টাকায়। 

সড়ক বিভাগের টানেল সাইট অফিসের সহকারী প্রকৌশলী (টোল ও ট্রাফিক) গোলাম সামদানি বলেন, সমীক্ষায় যে পরিমাণ গাড়ি চলার কথা সেই পরিমাণ চলছে না। গাড়ি চলাচল মাঝেমধ্যে বাড়ে আবার মাঝেমধ্যে কমে যায়। তবে টানেলসংলগ্ন আরও কিছু সড়ক নির্মাণ হলে গাড়ি চলাচল প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তখন সমীক্ষার অন্তত কাছাকাছি পরিমাণ গাড়ি চলবে।

হতাশ-ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা : 

টানেল থেকে প্রত্যাশিত সুফল না পাওয়া এবং শতকোটি টাকার অপ্রয়োজনীয় অতিথিশালা নির্মাণে হতাশ স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা বলছেন, রাষ্ট্রের অর্থে জনগণের করের টাকায় প্রয়োজন ছাড়া এক টাকা ব্যয় বহু প্রশ্নের জন্ম দেবে। বিলাসি টানেল প্রকল্প এবং অতিথিশালা এখন অর্থ অপচয়ের বড় দৃষ্টান্ত।

তারা বলছেন, বহুল প্রত্যাশিত কর্ণফুলী টানেল চালুর পর টানেলের সঙ্গে নির্মিত সার্ভিস রোড ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো স্থানীয় উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে এর অনেক অংশ এখনও প্রত্যাশিত কাজে আসছে না। কোথাও যানবাহনের চলাচল সীমিত, কোথাও অব্যবহৃত পড়ে আছে খালি জায়গা আবার কিছু স্থানে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবও চোখে পড়ে। ফলে যে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, কর্মসংস্থান ও যোগাযোগ সুবিধা বৃদ্ধির আশা করা হয়েছিল তা এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ারুল হক বলেন, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এসব সুবিধা যথাযথ পরিকল্পনা ও ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে জনস্বার্থে কাক্সিক্ষত সুফল পাওয়া কঠিন হবে। অনেকেই মনে করেন, সার্ভিস রোড ও আশপাশের অবকাঠামোকে শিল্প, বাণিজ্য ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থার সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত করা গেলে এর প্রকৃত উপকার মিলবে। বর্তমানে কিছু অংশ অনেকটা অব্যবহৃত অবস্থায় থাকায় সরকারি বিনিয়োগের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন এলাকাবাসী।

তিনি আরও বলেন টানেলকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক অঞ্চল, শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম পুরোপুরি চালু হলে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি অবকাঠামোগুলোর ব্যবহার নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সময়ের আলো/জেডি 




  বিষয়:   ৪শ কোটি  ৭ তারকা  অতিথিশালা 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: