৪৭তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
রোববার (২৮ জুন) প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, মোট ১ হাজার ৫২১ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ পেয়েছেন। এর মধ্যে ক্যাডার পদে ১ হাজার ৩২০ জন এবং নন-ক্যাডার পদে ২০১ জন রয়েছেন।
তবে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য থাকা। ৪৭তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে মোট ক্যাডার পদ ছিল ৩ হাজার ৪৮৭টি। কিন্তু চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীর সংখ্যা সেই তুলনায় অনেক কম হওয়ায় ২ হাজার ১৬৭টি ক্যাডার পদ খালি থেকে গেছে।
পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, মূলত টেকনিক্যাল ও বিশেষায়িত ক্যাডারগুলোতে পর্যাপ্ত যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা, চিকিৎসা ও প্রকৌশল ক্যাডারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে অনেক পরীক্ষার্থী লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় নির্ধারিত ন্যূনতম নম্বর অর্জন করতে ব্যর্থ হন। ফলে এসব পদ পূরণ করা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন
কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রার্থীর ঘাটতি নয়, বরং নির্ধারিত মানদণ্ডে উত্তীর্ণ যোগ্য প্রার্থী না থাকাই মূল কারণ। তাই বিজ্ঞপ্তিতে থাকা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পদ এবারের বিসিএসে খালি রাখতে হয়েছে।
এর আগে পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার পদ সংখ্যা বাড়ানোর দাবি উঠেছিল। তবে বাস্তবে পদ বৃদ্ধির পরিবর্তে উল্টো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে- যেখানে বিদ্যমান পদের একটি বড় অংশই শূন্য রয়ে গেছে।
পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে ফল প্রকাশ করা হতে পারে। তবে সব প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়ের আগেই ফল প্রকাশ করা হলো। এর আগে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩ হাজার ৬৩১ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা গত মে মাসে শুরু হয়।
এএডি/