শেরপুর-নালিতাবাড়ী মহাসড়কে অবৈধভাবে স্তূপ করে রাখা বালুর কারণে ঘটে গেল এক সড়ক দুর্ঘটনা। বিপরীত দিক থেকে আসা দুটি যানবাহন পাশ কাটানোর পর্যাপ্ত জায়গা না পাওয়ায় মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন এক অটোরিকশাচালক ও যাত্রী।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার সন্নাসীভিটা এলাকায় বাঘবেড় ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের সামনের সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, অটোরিকশাচালক কামরুল হোসেন (৪০)। তিনি নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় খড়িয়াপাড়া এলাকার একদিল হোসেনের ছেলে। অটোরিকশার যাত্রী শহিদুল ইসলাম (৪০), সালেহাবাদ কৃষ্ণপট্টি এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত শহিদুল ইসলাম ঢাকা থেকে বাসে করে নালিতাবাড়ী শহরে পৌঁছান। এরপর তিনি কামরুল হোসেনের অটোরিকশা ভাড়া করে পাঁচগাঁও সাগরদী কৃষ্ণপট্টি এলাকায় তার শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন।
পথিমধ্যে শেরপুর-নালিতাবাড়ী সড়কের সন্নাসীভিটা এলাকায় বাঘবেড় ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পৌঁছালে অটোরিকশাটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই স্থানে সড়কের একাংশ জুড়ে বালুর স্তূপ রাখা ছিল। অটোরিকশাটি যখন ওই বালুর স্তূপের কাছাকাছি পৌঁছায়, ঠিক তখনই বিপরীত দিক থেকে আসা আরেকটি দ্রুতগামী যান সেটিকে অতিক্রম করতে চায়।
দুর্ঘটনা এড়াতে অটোরিকশাটি রাস্তার একপাশে চেপে গেলেও, বিপরীত পাশের যানটি বালুর স্তূপের কারণে পর্যাপ্ত জায়গা না পাওয়ায় অটোরিকশাটিকে সরাসরি চাপা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। তখন চালক ও যাত্রী দুজনই নিহত হন।
নালিতাবাড়ী থানার সেকেন্ড অফিসার (উপপরিদর্শক) এসআই আব্দুল হান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অটোরিকশা ও মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
সময়ের আলো/জোই