ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবুহেনা রাসেলের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) ডিআরইউ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ-সংলগ্ন কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজা শেষে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলের নেতৃত্বে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে মরহুমকে শেষ বিদায় জানান।
পরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল ও সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহর নেতৃত্বে সংগঠনের নেতৃবৃন্দও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জানাজায় ডিআরইউর সাবেক সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, ইলিয়াস হোসেন, নজরুল ইসলাম মিঠু এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদসহ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বুধবার সকালে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে মোটরসাইকেলে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে আসাদগেট-সংলগ্ন তালুকদার ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি নিতে গিয়ে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন আবুহেনা রাসেল। পরে পথচারীরা তাকে শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১টা ২০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর।
আবুহেনা রাসেল স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে এবং অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে ডিআরইউর সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তারা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, আবুহেনা রাসেল ২০০০ সালের দিকে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন। পরবর্তীতে কানাডায় প্রবাসজীবন কাটিয়ে ২০১৬ সালের দিকে দেশে ফিরে আবারও সাংবাদিকতায় সক্রিয় হন। কর্মজীবনে তিনি দৈনিক ভোরের কাগজ, কালের কণ্ঠ ও সমকাল-এর অপরাধ বিভাগে রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক খবর সংযোগ-এ কর্মরত ছিলেন। ১৯৬৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন আবুহেনা রাসেল।
সময়ের আলো/এসএকে