মাইক্রোপ্লাস্টিক ইস্যু : গবেষণা প্রকাশে নীতিমালা চায় শিল্পমহল

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

টুথপেস্টসহ অন্যান্য নিত্যব্যবহার্য পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক বা অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি নিয়ে বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের গবেষণা প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশের আগে তা

2026-07-30T19:00:31+00:00
2026-07-30T19:00:31+00:00
 
  বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬,
১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
মাইক্রোপ্লাস্টিক ইস্যু : গবেষণা প্রকাশে নীতিমালা চায় শিল্পমহল
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৭:০০ পিএম 
বিএসটিআই-এর প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ গণশুনানি। সংগৃহীত ছবি
টুথপেস্টসহ অন্যান্য নিত্যব্যবহার্য পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক বা অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি নিয়ে বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের গবেষণা প্রতিবেদন জনসমক্ষে প্রকাশের আগে তা সংশ্লিষ্ট সরকারি নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকে জানানোর দাবি জানিয়েছেন দেশের শিল্পোদ্যোক্তারা। একই সঙ্গে ভুল তথ্য ও জনমনে বিভ্রান্তি এড়াতে বেসরকারি গবেষণার ফলাফলের ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা আইন প্রণয়নেরও আহ্বান জানিয়েছেন তারা। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ গণশুনানিতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এই দাবি তোলেন।

গণশুনানিতে স্কয়ার গ্রুপের লিগ্যাল অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্সের সিনিয়র লিগ্যাল কাউন্সেল মো. সোহেল হোসেন বলেন, সম্প্রতি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি নিয়ে ব্যাপক চর্চা হচ্ছে। তবে যেসব পণ্যে বিএসটিআইয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেগুলোর বেসরকারি গবেষণা প্রকাশের আগে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করা আবশ্যক। কারণ সব বেসরকারি গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করা হয় না, যা ব্যবসায়ের অপূরণীয় ক্ষতি করে।

একই প্রসঙ্গে অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের আন্তর্জাতিক বিপণন উপদেষ্টা মো. শফিকুর রহমান ভুইয়া একটি পূর্ব অভিজ্ঞতা তুলে ধরে জানান, এর আগে একটি বেসরকারি সংস্থা বেকারি পণ্যে ক্ষতিকর উপাদানের কথা বললেও পরবর্তীতে বিএসটিআই এবং বিসিএসআইআরের পরীক্ষায় তার কোনো সত্যতা মেলেনি। কিন্তু ততক্ষণে ভুল প্রচারণায় ব্র্যান্ডের সুনাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অপূর্ণাঙ্গ গবেষণার দায় শিল্পখাত কেন নেবে বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি। 

শিল্পোদ্যোক্তাদের এই দাবির মুখে বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, বিএসটিআই সবসময় মানসম্মত গবেষণাকে স্বাগত জানায়। তবে মানহীন গবেষণার কারণে যেন বাজারে অহেতুক আতঙ্ক না ছড়ায়, সে বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের নির্দিষ্ট সীমা নিয়ে বিশ্বজুড়ে সুস্পষ্ট মানদণ্ড না থাকলেও বিএসটিআইয়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি আইএসও ও আন্তর্জাতিক মান বিশ্লেষণ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।


বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই গণশুনানিতে স্কয়ার, প্রাণ-আরএফএল, নেসলে, ইউনিলিভার, মেরিকো, আকিজ ও ট্রান্সকমসহ দেশের প্রথম সারির শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। 

এতে অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা ভোক্তা অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত রেখে শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে বিএসটিআইয়ের সেবাগুলো শতভাগ ডিজিটালাইজড করার পরামর্শ প্রদান করেন।

সময়ের আলো/জেডি 


  বিষয়:   মাইক্রোপ্লাস্টিক  ইস্যু  গবেষণা  প্রকাশ  নীতিমালা  শিল্পমহল 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: