ছাগলকাণ্ডে আলোচিত মতিউরের বিরুদ্ধে চার্জগঠন, বিচার শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন-আদালত

প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের

2026-08-03T14:23:34+00:00
2026-08-03T14:23:34+00:00
 
  শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
৩ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আইন-আদালত
ছাগলকাণ্ডে আলোচিত মতিউরের বিরুদ্ধে চার্জগঠন, বিচার শুরু
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৩ পিএম 
ছবি : সংগৃহীত
প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি এম তারিকুল কবীর এ আদেশ দেন। আদালত আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

সোমবার কারাগার থেকে মতিউর রহমানকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে অভিযোগ পড়ে শোনানোর পর বিচারক তাকে দোষী না নির্দোষ জানতে চাইলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। এরপর আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

পরে মতিউরের পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও মো. বোরহান উদ্দিন। দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম জামিনের বিরোধিতা করলে আদালত আবেদনটি খারিজ করে দেন।

দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুদক তার বিরুদ্ধে মামলা করে। তদন্ত শেষে চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়।

মতিউরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

২০২৪ সালের কোরবানির ঈদে ১৫ লাখ টাকা দামের একটি ছাগল কেনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়। পরে জানা যায়, ছাগলটি কিনেছিলেন মতিউর রহমানের ছেলে মুশফিকুর রহমান ইফাত। সেই ঘটনার পর মতিউর ও তার পরিবারের বিপুল সম্পদের বিষয়টি আলোচনায় আসে এবং দুদক অনুসন্ধান শুরু করে।

অনুসন্ধানে দুদক মতিউর ও তার পরিবারের নামে ৬৫ বিঘা জমি, আটটি ফ্ল্যাট, দুটি রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট এবং তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পায়। পাশাপাশি তাদের নামে থাকা ব্যাংক হিসাব, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের হিসাব এবং শেয়ারবাজারের বিও হিসাবও জব্দ করা হয়।


সময়ের আলো/কেএইচ

  বিষয়:   সময়ের আলো  মতিউর  ছাগলকাণ্ড 


Advertisement
Loading...
Loading...
আইন-আদালত- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: