রাজধানীর গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় আরও দুই আসামিকে সাত দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম এ আদেশ দেন। রিমান্ডে পাঠানো আসামিরা হলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নরসিংদীর মহিষাসুরা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ ও আওয়ামী লীগের কর্মী মো. রফিক। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রুহুল আমিন। শুনানি শেষে আদালত তাদের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল তাদের গ্রেফতার করে।
এর আগে, ১২ সেপ্টেম্বর এ মামলায় ২৪ আসামিকে রিমান্ডে পাঠান আদালত। ১৩ সেপ্টেম্বর নয়জন এবং ১৪ সেপ্টেম্বর আরও নয়জনকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে মঙ্গলবার আরও সাতজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানাধীন এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা এবং নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সমবেত হন। নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি নস্যাৎ, সরকারবিরোধী অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন ও সরকারকে বেকায়দায় ফেলার উদ্দেশ্যে তারা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে সমাবেশের আয়োজন করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সমাবেশ থেকে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে তারা পুলিশের দিকে ককটেল নিক্ষেপ করেন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়লে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি ককটেল জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় গুলশান থানার এসআই মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করেন।
সময়ের আলো/এসএকে