১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ, মানতে হবে যেসব শর্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

আগামী ১৪৪৮ হিজরি (২০২৬–২৭) ওমরাহ মৌসুমের জন্য অনুমোদিত ১২৮টি ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এজেন্সিগুলোর জন্য

2026-08-05T12:48:01+00:00
2026-08-05T12:48:01+00:00
 
  বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬,
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬
জাতীয়
১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ, মানতে হবে যেসব শর্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম 
ছবি : সংগৃহীত
আগামী ১৪৪৮ হিজরি (২০২৬–২৭) ওমরাহ মৌসুমের জন্য অনুমোদিত ১২৮টি ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এজেন্সিগুলোর জন্য বেশ কয়েকটি বাধ্যতামূলক শর্তও নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ–১ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার দেশের সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও প্রিন্সিপাল অফিসে পাঠায়। সার্কুলারে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গত ২১ জুলাই জারি করা নির্দেশনার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তালিকাভুক্ত ১২৮টি এজেন্সি নির্ধারিত শর্ত মেনে বাংলাদেশ থেকে ওমরাহযাত্রী সৌদি আরবে পাঠাতে পারবে। জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি এবং হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২২ (সংশোধিত) অনুসরণ করে সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

এজেন্সিগুলোকে ওমরাহযাত্রীদের নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে পাঠানো, প্রতিশ্রুত সেবা নিশ্চিত করা এবং সময়মতো দেশে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব পালন করতে হবে। এছাড়া ১৪৪৮ হিজরিতে পাঠানো সব ওমরাহযাত্রীর সৌদি আরব যাওয়া ও দেশে ফেরার বিস্তারিত প্রতিবেদন পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকা এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-৩ (ওমরাহ) শাখায় জমা দিতে হবে।

নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে পরবর্তী বছরের অনুমোদিত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না করার পাশাপাশি বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

যেসব শর্ত মানতে হবে
* সরকার নির্ধারিত এক হাজার জনের কোটার বেশি ওমরাহযাত্রী পাঠানো যাবে না।
* প্রতিটি ওমরাহ এজেন্সির জন্য নির্ধারিত একটি ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে এবং সেই হিসাবের তথ্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।
* যাত্রীদের সঙ্গে লিখিত চুক্তি করতে হবে এবং চুক্তি অনুযায়ী সব সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
* ওমরাহযাত্রী পাঠানোর আগে নির্ধারিত ফরম-৬ অনুযায়ী যাত্রীদের তথ্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিসে জমা দিতে হবে।
* সরকারের অনুমোদন ছাড়া নির্ধারিত কোটার অতিরিক্ত যাত্রী পাঠানো হলে তা অনিয়ম ও অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
* ওমরাহ-সংক্রান্ত অভিযোগ প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে হবে।
* বাংলাদেশ ও সৌদি আরব—উভয় দেশের নির্দেশনা মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
* বিভিন্ন ক্যাটাগরির ওমরাহ প্যাকেজ, প্রসেসিং ফি এবং অন্যান্য সেবার ব্যয় স্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে।

দেশে না ফিরলে যা করতে হবে
কোনো ওমরাহযাত্রী নির্ধারিত সময়ে দেশে ফিরে না এলে, তার ফেরার নির্ধারিত তারিখের এক মাসের মধ্যে যাত্রীর নাম, ঠিকানা, পাসপোর্ট নম্বর এবং দেশে ফিরতে না পারার কারণ লিখিতভাবে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিসকে জানাতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া তালিকা প্রকাশের পর কোনো এজেন্সির দেওয়া তথ্য ভুল বা অসত্য প্রমাণিত হলে কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই ওই এজেন্সির অনুমোদন বাতিল করার অধিকার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংরক্ষণ করবে।


সময়ের আলো/কেএইচ



  বিষয়:   সময়ের আলো  ওমরাহ 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: