"আমাদেরকে যে কঠিন দায়িত্ব শহীদরা দিয়ে গিয়েছেন, প্রাণ দিয়ে যারা আমাদেরকে ভবিষ্যতের রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়ে গিয়েছেন, সেই রোডম্যাপ আমাদেরকে অনুসরণ করতে হয়। আমরা প্রতিটি মুহূর্তেই সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, যাতে এই অর্জনকে সমন্বয় করে সকল শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এর একটি অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি " বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ' শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।
সরকারের আন্তরিকতা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী চিন্তায় বাংলাদেশে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের এক নতুন সুযোগ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "গণঅভ্যুত্থান, শহীদদের রক্ত ও আত্মত্যাগের পর এক স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন, জাতীয় সংসদের সক্রিয়তা এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের আন্তরিক নেতৃত্ব - এসব কিছুর মধ্য দিয়ে দেশে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৃত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার এক অনন্য সুযোগ তৈরি হয়েছে।"
তিনি বলেন, একদল লোক এটার কৃতিত্ব নিয়েই বেশি ব্যস্ত। এটার কৃতিত্ব কার, এবং এর মধ্য দিয়ে কে কত বেশি তারকায় পরিণত হয়েছেন, এবং কে কত বেশি তারকা-খ্যাতিকে আরও বর্ধিত করবেন - ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের এই তারকা-খ্যাতির বর্ধিত গতির কারণে একটা মোহগ্রস্ততা কিন্তু লক্ষ্য করছি।
তিনি আরো বলেন, আমাদের সরকারপ্রধান দেশনায়ক তারেক রহমানের যেই উদ্যোগ, সংসদ নেতা হিসেবে তার ভূমিকা এবং দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের চেয়ারম্যান হিসেবে ভূমিকা, সেই ভূমিকার সঙ্গে তাল মিলিয়ে তিনি একই সঙ্গে এই অভ্যুত্থানের সকল কৃতিত্ব জনগণকে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন - "জনগণ, জনগণ আর জনগণ। জনগণই হচ্ছে এই সকল ধরনের বিজয়ের কৃতিত্বের মালিক।"
কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যারা এখনো বিভ্রান্তিতে আছেন এই কৃতিত্বকে পকেটস্থ করার জন্য, আমি তাদেরকে এই বিভ্রান্তি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানাই।
সময়ের আলো/টিকে