ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫০জন। মাদরাসা থেকে এ বছর ২৭৯ জন অংশ নিয়ে, কৃতকার্য হয়েছে ২৫২ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ২৭জন। জিপিএ-৫ পাওয়া ৫০ জন বাদে বাকিরা সবাই বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। মাদরাসাটির পাশের হার ৯০.৩৩%। পাশের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হারে মাদরাসাটি এবছরেও মাদরাসা বোর্ডে অন্যতম শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে।
হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর রহ. ১৯৫৬ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার ছাত্রের পদচারণায় মুখরিত এ মাদরাসা অনার্স, মাস্টার্সসহ দাখিল, আলিম ও ফাজিল, কামিল (হাদিস, তাফসির, ফিকহ ও আদব) ফলাফলে শীর্ষ স্থান অর্জনকারী দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানের এ সাফল্যের জন্য অধ্যক্ষ মুফতি গাজী মুহম্মদ শহিদুল ইসলাম আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। সাফল্যের কারণ হিসেবে তিনি সুন্নতে নববীর পরিপূর্ণ অনুসরণ ও আওলিয়ায়ে কেরামের অনুসৃত পথের পাবন্দ হওয়ার পাশাপাশি আমীরুল মুছলিহীন হযরত মাওলানা মুহম্মদ খলীলুর রহমান নেছারাবাদী হুজুরের বলিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষকতার কথা জানান।
তিনি আরও বলেন, ‘দলীয় রাজনীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গণ, অভিভাবক সম্মেলনসহ শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়ন, আবাসিক ছাত্রদের জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং ও টিউটর দ্বারা আবাসিক ক্লাস ও সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণের কারণে কেন্দ্রীয় পরীক্ষাসমূহে এ প্রতিষ্ঠান বরাবরই গৌরবোজ্জ্বল ফলাফল লাভ করছে।’
ভালো ফলাফল ও এ প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর উন্নতির জন্য শিক্ষক, অভিভাবকসহ সর্বমহলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সময়ের আলো/মহু