ভারতের মুম্বাইয়ের কুরলা এলাকায় ভূমিধসে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চার থেকে পাঁচজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) ভোর ৩টা ৪৮ মিনিটে ঘাটকোপারের চিরাগ নগরের গাউশিয়া চাওল এলাকায় এ ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। পাহাড়ি ঢালের একটি অংশ ধসে পড়ে কয়েকটি বাড়ির ওপর মাটি ও ধ্বংসাবশেষ চাপা পড়ে।
ঘটনার পর একাধিক সংস্থার উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। ধ্বংসস্তূপের নিচে জীবিতদের অবস্থান শনাক্ত করতে বিশেষায়িত ‘ভিকটিম ডিটেকশন ক্যামেরা’ ব্যবহার করছেন উদ্ধারকারীরা।
মুম্বাই ফায়ার ব্রিগেড, মুম্বাই পুলিশ ও জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন।
মুম্বাইয়ের মেয়র ঋতু তাওড়ে এবং অতিরিক্ত পৌর কমিশনার (পূর্ব শহরতলি) অবিনাশ ঢাকনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। নিহতদের পরিবারের জন্য ৩ লাখ রুপি করে আর্থিক সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মাধ্যমে এই অর্থ দেওয়া হবে।
পুলিশের উপকমিশনার (ডিসিপি) গণেশ শিন্ডে জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো তিন থেকে চারজন আটকা পড়ে থাকতে পারেন। তবে ঠিক কতজন নিখোঁজ, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, নিহতদের মরদেহ হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। ঘাটকোপার পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত করবে।
ভূমিধসে আহত দুজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন ১৮ বছর বয়সী সোহেল আনসারি ও ১৪ বছর বয়সী মোহাম্মদ আনসারি। সোহেলের মাথায় এবং মোহাম্মদের পিঠে আঘাত লেগেছে। দুজনের অবস্থাই স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সময়ের আলো/কেএইচ