বিদ্যুতের উৎপাদন কার হাতে কতটুকু

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩২ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। এরপরও চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। লোডশেডিং বৃদ্ধির পেছনে প্রয়োজনীয়

2026-08-24T01:17:59+00:00
2026-08-24T01:17:59+00:00
 
  সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬,
৯ ভাদ্র ১৪৩৩
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
জাতীয়
বিদ্যুতের উৎপাদন কার হাতে কতটুকু
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৭ এএম 
ছবি : সংগৃহীত
দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩২ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। এরপরও চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। লোডশেডিং বৃদ্ধির পেছনে প্রয়োজনীয় জ্বালানির জোগান দিতে না পারাই মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর স্থাপিত উৎপাদনক্ষমতা ১২ হাজার ৩০২ মেগাওয়াট, যা মোট সক্ষমতার প্রায় ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ। 

অন্যদিকে বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা ১০ হাজার ৮৫৩ মেগাওয়াট, অর্থাৎ মোটের প্রায় ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এ ছাড়া যৌথ উদ্যোগের (জেভি) বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা রয়েছে ৩ হাজার ৬৮ মেগাওয়াট, যা মোট সক্ষমতার প্রায় ১০ দশমিক ৬ শতাংশ। বাকি সক্ষমতার মধ্যে বিদ্যুৎ আমদানিসহ অন্যান্য উৎস রয়েছে।

বিপিডিপির তথ্যানুযায়ী, দেশে বর্তমানে সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ১৩৬টি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র সচল রয়েছে। এসব কেন্দ্রের সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। বর্তমানে দেশে সরকারি মালিকানাধীন বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে ৬৪টি। এসব কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১২ হাজার ৩০২ মেগাওয়াট। সে সঙ্গে বেসরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে ৬৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র। এগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা ১০ হাজার ৮৫৩ মেগাওয়াট। 

এ ছাড়া সরকারি ও বেসরকারি যৌথ মালিকানায় রয়েছে ৩টি বিশাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, যেগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ৩ হাজার ৬৮ মেগাওয়াট। সব মিলিয়ে দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা এখন ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট। তবে ক্যাপটিভ ও অফ-গ্রিডসহ মোট এই সক্ষমতা ৩২ হাজার ৩৩২ মেগাওয়াট।

তথ্যানুযায়ী, বেসরকারি খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপ। তারা গ্যাস ও তরল জ্বালানিভিত্তিক প্লান্টের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। 

ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি শিল্পাঞ্চল ও জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ভূমিকা রাখে। অন্যান্য বেসরকারি গ্রুপ : ওরিয়ন গ্রুপ, এস আলম, বারাকা পাওয়ার, কনফিডেন্স গ্রুপ, ডোরেন গ্রুপ ইত্যাদি কোম্পানিগুলো ফার্নেস অয়েল, গ্যাস এবং ডিজেলভিত্তিক বিভিন্ন প্লান্টের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে থাকে।

কোম্পানিগুলোর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সামিট, এস আলম ও ইউনাইটেড গ্রুপের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার দিক থেকে সামিটের সক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। সামিটের ১৮ বিদ্যুৎকেন্দ্র, সক্ষমতা ২,২৫৫ মেগাওয়াট।


সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশে ১৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রের সম্মিলিত স্থাপিত উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২,২৫৫ মেগাওয়াট। সামিটের উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রগুলোর মধ্যে রয়েছে বিবিয়ানা ৩৪১ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট, গাজীপুর পাওয়ার প্লান্ট, বরিশাল পাওয়ার প্লান্ট, নারায়ণগঞ্জ, আশুলিয়া, মাধবদী, জাঙ্গালিয়া, রূপগঞ্জ, মাওনা ও চাঁদপুরের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র। তবে স্থাপিত সক্ষমতা ২,২৫৫ মেগাওয়াট হলেও সবসময় এই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় না। গ্যাসের সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ এবং জাতীয় গ্রিডের চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন কম-বেশি হয়ে থাকে।

এস আলমের ১,৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র : এস আলম গ্রুপের বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে সবচেয়ে বড় প্রকল্প হলো চট্টগ্রামের বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্লান্ট। কেন্দ্রটিতে দুটি ইউনিট রয়েছে এবং প্রতিটির উৎপাদন সক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট।

ফলে কেন্দ্রটির মোট স্থাপিত সক্ষমতা ১,৩২০ মেগাওয়াট। তবে অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বাদ দিয়ে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহযোগ্য নিট সক্ষমতা প্রায় ১,২২৪ মেগাওয়াট। এটি দেশের বেসরকারি খাতে এককভাবে অন্যতম বৃহত্তম মেগা বিনিয়োগ (প্রায় ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি)। 

এই প্রকল্পে এস আলম গ্রুপের ৭০ শতাংশ মালিকানা রয়েছে এবং বাকি ৩০ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে চীনের দুটি কোম্পানি-সেপকো থ্রি এবং এইচটিজি ডেভেলপমেন্ট গ্রুপ ইউনাইটেডের ১৭টির বেশি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও প্রকল্প : ইউনাইটেড গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, তাদের বিদ্যুৎ খাতে ১৭টিরও বেশি পাওয়ার প্লান্ট রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট পোর্টফোলিওর সক্ষমতা প্রায় ২,১৩৭ মেগাওয়াট।

ইউনাইটেডের উল্লেখযোগ্য কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে ইউনাইটেড ময়মনসিংহ পাওয়ার ২০০ মেগাওয়াট, ইউনাইটেড জামালপুর পাওয়ার ১১৫ মেগাওয়াট, ইউনাইটেড আনোয়ারা পাওয়ার ৩০০ মেগাওয়াট, ইউনাইটেড পায়রা পাওয়ার পায়রা, ১৫০ মেগাওয়াট, ইউনাইটেড আশুগঞ্জ পাওয়ার ৫৩ মেগাওয়াট, ইউনাইটেড আশুগঞ্জ এনার্জি আশুগঞ্জ ১৯৫ মেগাওয়াট, ইউনাইটেড পাওয়ার ডিইপিজেড ৮২ মেগাওয়াট, ইউনাইটেড পাওয়ার সিইপিজেড ৭২ মেগাওয়াট, এই ৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১,১৬৭ মেগাওয়াট। শুধু এই আটটি কেন্দ্র দিয়েই ইউনাইটেড গ্রুপ প্রায় ১.১৭ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রাখে।

ইউনাইটেড গ্রুপের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তাদের বিদ্যুৎ ব্যবসা থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ১,১৪৬ মেগাওয়াট সক্ষমতা যুক্ত রয়েছে।

ওরিয়ন গ্রুপ শিল্প খাত ও বড় বড় বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য পরিচিত। ওরিয়ন গ্রুপের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের (যেমন মেঘনাঘাট, ঢাকা ও চট্টগ্রামের প্লান্ট) মোট উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ মেগাওয়াটেরও বেশি।

বারাকা পাওয়ার লিমিটেডের সিলেট ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। বারাকা গ্রুপ এবং তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর (যেমন বারাকা শিকলবাহা ও বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার) মোট উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ মেগাওয়াট।

কনফিডেন্স গ্রুপ ও ডোরেন গ্রুপের সহযোগী প্লান্টগুলোর মাধ্যমে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। ডোরেন গ্রুপ মূলত ছোট ও মাঝারি আকারের আইপিপি এবং রেন্টাল প্লান্টের মাধ্যমে প্রায় ১৫০ থেকে ১৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।

তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-বিপিডিবি সরাসরি নিজেদের মালিকানাধীন কেন্দ্রগুলো থেকে প্রায় ৬,৪৬১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে। নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড প্রায় ১,৪০১ মেগাওয়াট। 

আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (অচঝঈখ) প্রায় ১,৩৯৪ মেগাওয়াট। ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ প্রায় ১,০৩২ মেগাওয়াট। কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড প্রায় ১,১৫০ মেগাওয়াট (প্রধানত কয়লাভিত্তিক মেগা প্রকল্প যেমন মাতারবাড়ী)। অন্যান্য সরকারি কোম্পানি (যেমন- জচঈখ, বি-আর পাওয়ারজেন ইত্যাদি) প্রায় ৮৬৪ মেগাওয়াট (যৌথ ও সরকারি অন্যান্যসহ)। সব মিলিয়ে সরকারি মালিকানাধীন ৬৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১২,৩০২ মেগাওয়াট।

 
যৌথ উদ্যোগের বড় প্রকল্প
বাংলাদেশ সরকার ও বিভিন্ন বন্ধুভাবাপন্ন দেশের (যেমন ভারত, চীন) যৌথ মালিকানায় বেশ কিছু বড় মেগা পাওয়ার প্লান্ট বা বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়িত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি যৌথ উদ্যোগের সক্ষমতা হলো- বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেড। এটি নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি এবং চীনের সিএমসির যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত। যেমন পায়রা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম পর্বের উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১,২৪৪ মেগাওয়াট। বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি। এটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং ভারতের এনটিপিসির (ঘঞচঈ) যৌথ উদ্যোগে রামপালে নির্মিত মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট, যার উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ১,২৩৪ মেগাওয়াট। 

অন্যান্য যৌথ উদ্যোগ : রূপসা বা অন্যান্য যৌথ কোম্পানির (যেমন জচঈখ ও নরিনকো ইন্টারন্যাশনালের যৌথ প্রজেক্ট) মাধ্যমে আরও সহস্রাধিক মেগাওয়াট ক্ষমতা যুক্ত রয়েছে। সব মিলিয়ে যৌথ উদ্যোগের এই খাতটিতে বর্তমান সক্ষমতা প্রায় ৩,৭০০ মেগাওয়াটের কাছাকাছি পৌঁছেছে। 

আমদানি খাত
জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈচিত্র্য আনতে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। এর মধ্যে ভারতের ঝাড়খণ্ডে অবস্থিত আদানির প্লান্ট থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় প্রায় ১,৪৯৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া ভেড়ামারা ও কুমিল্লা আন্তঃসংযোগ গ্রিডের মাধ্যমে ভারত থেকে আরও প্রায় ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়। এর বাইরে সম্প্রতি আঞ্চলিক চুক্তির আওতায় নেপাল থেকেও ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি করা হয়।

চলতি বছরের ২ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ সংসদে জানান, বর্তমানে সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ১৩৬টি বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র সচল রয়েছে। এসব কেন্দ্রের সম্মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াটে। আর বিদ্যুতের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিন গড়ে ১৪ হাজার ৫০০ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী রোববার বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানির যে সংকট তৈরি হয়েছে, তার জন্য সরকার বা কোনো ব্যক্তি দায়ী নয়। এটি এক ধরনের প্রাকৃতিক সংকট। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে মহেশখালীর গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহকারী টার্মিনালে ত্রুটির কারণে বিগত কয়েক দিন গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় বিভিন্ন এলাকার কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং বাসাবাড়ির রান্নার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েন।

তিনি আরও বলেন, মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালের ত্রুটি ইতিমধ্যে সম্পূর্ণভাবে মেরামত করা হয়েছে। এলএনজির কার্গোও এসে পৌঁছেছে এবং সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ আবার বেড়েছে এবং লোডশেডিংও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, এই সমস্যা দ্রুত নিরসনে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি ছিল না, জ্বালানি সংকটের ক্ষেত্রেও দেশবাসী তা দেখেছে। তবে এর মধ্যেও অনেক চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

সময়ের আলো/এসএকে


  বিষয়:   বিদ্যুৎ  উৎপাদন  সময়ের আলো 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: