আওয়ামী লীগের আমলে সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে তিনি এক ভয়াবহ হত্যাচেষ্টার ষড়যন্ত্রের মুখে পড়েছিলেন বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। তিনি উল্লেখ করেন, সেই ষড়যন্ত্র শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি; বরং ষড়্যন্ত্রকারীরা নিজেরাই ফেঁসে গিয়ে এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিল।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে খেলাফত মজলিসের সাবেক নেতা মাওলানা ইকবাল হোসাইনের স্মরণে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
২০২১ সালের বহুল আলোচিত রয়েল রিসোর্টের ঘটনার স্মৃতিচারণ করে মামুনুল হক বলেন, সেদিন আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্রের পর তৌহিদী জনতা জেগে উঠলে তাদের তোপের মুখে পড়ে বাঁচার জন্য তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের লোকজনকে আকুতি-মিনতি করতে হয়েছিল। ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আর এলাকায় দেখা যায়নি এবং তারা বাড়িঘর ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।
হয়রানিমূলক আইনি পদক্ষেপ ও সহযোদ্ধাদের ত্যাগের কথা তুলে ধরে খেলাফত মজলিসের আমির বলেন, তৌহিদী জনতার কণ্ঠরোধ করতেই তৎকালীন ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার পথ বেছে নিয়েছিল, যা বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করেছে। সে সময় সোনারগাঁ থানা খেলাফতে মজলিসের সভাপতি মাওলানা ইকবাল হোসাইনকে গ্রেফতার করে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়, যার পরিণতিতে পরবর্তীকালে তার মৃত্যু হয় বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সভাপতি মাওলানা ওবায়দুল কাদের নদভী কাসেমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, সংসদ সদস্য মুফতি মোহাম্মদ উল্লাহ, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এবং জেলা হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মহিউদ্দিন খান।
সময়ের আলো/জেডি