সন্ধ্যা নামলেই অনেক বাসাবাড়িতে অপেক্ষা শুরু হয়- কখন বিদ্যুৎ যাবে, আর কখন আসবে। শহরে কয়েক দফা লোডশেডিং, গ্রামে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীনতা। কোথাও গ্যাসের চুলা জ্বলছে না, কোথাও কারখানার উৎপাদন কমে গেছে। রান্নার জন্য মানুষ বৈদ্যুতিক চুলার দিকে ঝুঁকছেন, আর তাতে বিদ্যুতের ওপর বাড়ছে বাড়তি চাপ।
দৃশ্যটি নতুন নয়। কিন্তু এবারের সংকটের গল্পটা শুধু বিদ্যুতের ঘাটতির গল্প নয়। এর পেছনে রয়েছে এমন এক জ্বালানি ব্যবস্থার চিত্র, যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় একটি অংশ নির্ভরশীল গ্যাসের ওপর, আর সেই গ্যাসের একটি বড় উৎস এখন আমদানিনির্ভর এলএনজি।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ সেই নির্ভরতার জায়গাটিতেই আঘাত করেছে। এলএনজির কার্গো অনিশ্চিত, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েছে, আর দেশে গ্যাসের সরবরাহ কমে গিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনেও টান পড়েছে। কিন্তু সংকটের গভীরে গেলে আরও একটি প্রশ্ন সামনে আসে- বৈশ্বিক পরিস্থিতি যখন এমন ঝুঁকির ইঙ্গিত দিচ্ছিল, তখন দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনা কতটা প্রস্তুত ছিল?
যুদ্ধের ধাক্কা, নাকি পুরোনো নির্ভরতার ফল : জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিভাগের বক্তব্য, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে এলএনজি আমদানি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে। কাতার ও ওমানের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকলেও যুদ্ধের পর নিয়মিত সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ফলে গ্যাসের জোগানে তৈরি হয়েছে ঘাটতি।
কিন্তু এই ব্যাখ্যার পাশাপাশি আরেকটি বাস্তবতা রয়েছে। দেশের নিজস্ব গ্যাস উৎপাদনও কমেছে। দৈনিক গ্যাসের চাহিদা যেখানে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট, সেখানে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ গড়ে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অর্থাৎ চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে।
এই ঘাটতি পূরণে এলএনজির ওপর নির্ভরতা বাড়াতেই হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহে সামান্য ধাক্কাও এখন সরাসরি এসে পড়ছে বাংলাদেশের রান্নাঘর, কলকারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে।
একটি কার্গো না এলেই কেন এত বড় সংকট : দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় গ্যাসের ভূমিকা এখনও সবচেয়ে বড়। আগস্ট ২০২৬-এর হিসেবে বিপিডিবির মোট স্থাপিত সক্ষমতা ২৯ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট। এর মধ্যে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতাই ১২ হাজার ৪৭২ মেগাওয়াট- মোট সক্ষমতার ৪২ দশমিক ১৫ শতাংশ। কাগজে-কলমে সক্ষমতা আছে, কেন্দ্র আছে, কিন্তু জ্বালানি নেই। ফলে সক্ষমতার বড় অংশই কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
একটি হিসাব এই নির্ভরতার চিত্রটি আরও পরিষ্কার করে। শুক্রবার দুপুর ১টায় ১৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ৮৬০ মেগাওয়াট। এর মধ্যে গ্যাস থেকে এসেছে ৫ হাজার ১৪৫ মেগাওয়াট। অথচ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে ৭ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হতো।
অর্থাৎ সংকটটি শুধু ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র কম’ এমন নয়। বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, উৎপাদনের সক্ষমতাও আছে; আটকে আছে জ্বালানির সরবরাহ।
রান্নাঘর থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র- গ্যাসের জন্য প্রতিযোগিতা : গ্যাসের সংকটের সবচেয়ে অদ্ভুত প্রভাবটি দেখা যাচ্ছে বাসাবাড়িতে। পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় অনেক পরিবার রান্না করতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন অনেকে। আর এখানেই তৈরি হচ্ছে সংকটের একটি চক্র।
গ্যাস নেই- মানুষ বিদ্যুৎ দিয়ে রান্না করছেন। বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে- বিদ্যুৎকেন্দ্রে আরও জ্বালানি প্রয়োজন হচ্ছে। কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশের জ্বালানি সেই গ্যাসই। ফলে যে ঘাটতি রান্নাঘরে তৈরি হচ্ছে, সেটিই আবার বিদ্যুতের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
একই সময়ে শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ কমেছে। কোথাও উৎপাদন বন্ধ, কোথাও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সার-কারখানাগুলোর উৎপাদনও বন্ধ থাকার কথা এসেছে। অর্থাৎ একটি জ্বালানি ঘাটতি একই সঙ্গে গৃহস্থালি, শিল্প ও বিদ্যুৎ- তিনটি খাতকে আঘাত করছে।
দাম বাড়ছে, তবু কার্গো মিলছে না : সংকটের আরেকটি দিক আরও উদ্বেগের- এলএনজি কিনতে শুধু বেশি টাকা দিলেই এখন নিশ্চিতভাবে জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না। স্পট মার্কেটে এলএনজির দাম গত ছয় মাসে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। জানুয়ারিতে যেখানে প্রতি ইউনিটের দাম ছিল ১০ থেকে ১১ ডলার, জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে তা প্রায় ২২ ডলারে পৌঁছায়।
প্রতি ইউনিট এলএনজির দাম এক ডলার বাড়লে একটি কার্গোতে বাংলাদেশের ব্যয় বাড়ে প্রায় ৪১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এপ্রিলের তুলনায় এখন একটি কার্গো কিনতেই প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বেশি লাগছে। অথচ বেশি দাম দিয়েও সবসময় সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এখানে সংকটের অর্থনীতি যেমন আছে, তেমনি আছে জ্বালানি নিরাপত্তার প্রশ্নও।
সস্তা কার্গো ফিরিয়ে দিয়ে এখন চড়া দামের বাজার : বর্তমান সংকটের সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নগুলোর একটি সরবরাহ সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়ে। দরপত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত তিনটি এলএনজি কার্গোর অনুমোদন দেওয়া হয়নি। সেগুলোর দাম ছিল ২০ থেকে সাড়ে ২১ ডলারের মধ্যে। পরে অপেক্ষাকৃত কম দামে কেনার উদ্যোগে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কিছু কার্গোর ক্রয়াদেশ অনুমোদন করা হয়।
আগস্টে আসার কথা থাকা চারটি কার্গোর একটিও আসেনি। ফলে ঘাটতি পূরণে এখন উচ্চ দামে এলএনজি কেনার প্রয়োজন হচ্ছে। এই ঘটনাটি সংকটের আরেকটি মাত্রা সামনে আনে- জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় শুধু আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নজর রাখলেই হয় না, সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।
‘জ্বালানি সংকট’ কতটা যুদ্ধের, কতটা ব্যবস্থাপনার : এখানেই বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলমের মতে, বর্তমান সংকট এক দিনে তৈরি হয়নি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলন বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন। তিনি দেশের জ্বালানি সংকটের পেছনে ভুল নীতি, দুর্নীতি ও জবাবদিহির ঘাটতিকেও গুরুত্ব দিয়েছেন।
অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিগত সরকারের রেখে যাওয়া দুর্বল অবকাঠামোর কারণে সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হচ্ছে না। একই সঙ্গে বর্তমান সংকটের মূল কারণ হিসেবে যুদ্ধের কথা তুলে ধরা হয়েছে এবং কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস উত্তোলন বৃদ্ধির উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে। দুটি বক্তব্যের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও একটি জায়গায় মিল আছে- দেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে।
কয়লা আছে, তবু গ্যাসের ঘাটতিই কেন বড় হয়ে উঠছে : গ্যাসের পর বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতায় বড় অংশ কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের। আগস্টে কয়লার সক্ষমতা ৮ হাজার ৪২৩ মেগাওয়াট। ফার্নেস অয়েলভিত্তিক সক্ষমতা ৫ হাজার ৬৪১ মেগাওয়াট। কিন্তু নবায়নযোগ্য উৎসের অংশ তুলনামূলকভাবে অনেক কম।
সংকটের সময়ে সরকার কয়লাভিত্তিক উৎপাদন বাড়ানোর দিকে জোর দিচ্ছে। একই সঙ্গে তরল জ্বালানি ব্যবহার করেও উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু এগুলো দীর্ঘমেয়াদে কতটা টেকসই এবং ব্যয়বহুল হবে, সেটিও একটি বড় প্রশ্ন। কারণ গ্যাসের ওপর নির্ভরতা কমানোর কথা বহুবার বলা হলেও বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাঠামোয় সেই নির্ভরতা এখনও বড়।
সেপ্টেম্বর কি সত্যিই স্বস্তি আনবে : পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা বলছেন, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। ওই মাসে দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পমেয়াদি ও স্পট মার্কেট মিলিয়ে নয়টি এলএনজি কার্গো আসার কথা রয়েছে। ১ ও ৪ সেপ্টেম্বর স্পট মার্কেট থেকে দুটি কার্গো আসার কথা।
আরেক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ২৯ আগস্ট এক্সিলারেট টার্মিনালে যে কার্গো আসার কথা ছিল, সেটি কার্গো ঘাটতির কারণে ১ সেপ্টেম্বর আসবে। সামিট টার্মিনালের জন্য কার্গো আসার কথা ৪ সেপ্টেম্বর। পূর্ণমাত্রায় সরবরাহের জন্য বাংলাদেশে মাসে ১০ থেকে ১২টি কার্গো প্রয়োজন।
অর্থাৎ আপাতত সমাধান নির্ভর করছে কার্গো আসার ওপর। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়- সেপ্টেম্বরে কার্গো এলে এই সংকট কেটে যাবে, নাকি পরবর্তী কোনো আন্তর্জাতিক ধাক্কায় আবার একই চিত্র ফিরে আসবে।
আলোচনায় কিছু ব্যক্তির অপসারণ ইস্যু : অন্যদিকে বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও কোম্পানিগুলোয় দায়িত্বশীল নীতিনির্ধারণী পদে যে অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন তাদের বেশিরভাগই এখন চাকরিচ্যুত বা অপসারিত হয়েছেন। এরও একটা বিরূপ প্রভাব পড়েছে বলে কেউ কেউ মনে করেন।
এর ফলে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করার মানসিকতায় ভাটা পড়েছে এমন পর্যবেক্ষণও রয়েছে। এ ছাড়া গত দুই বছরে গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্র যথাসময়ে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি এমন অভিযোগও রয়েছে। তবে এ বিষয়ে জ্বালানি বিভাগের কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সংকট থেকে উত্তরণে সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পরামর্শ : কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম সময়ের আলোকে বলেন, এ সংকট এক দিনের নয়, অনেক দিন ধরেই তৈরি করা হয়েছে। সংকট থেকে উত্তরণে সরকারকে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিতে হবে।
আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উত্তোলন বাড়াতে হবে। বিগত সময়ে জ্বালানি খাতে ব্যাপক লুণ্ঠন ও লুটপাটকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।
ইউক্রেন যুদ্ধ বা বৈশ্বিক সংকটের চেয়ে দেশের ভেতরে ভুল নীতি, দুর্নীতি ও জবাবদিহির অভাবেই মূল জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন এই জ্বালানি বিশেষজ্ঞ।
সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা : সম্প্রতি সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেন, মূলত যুদ্ধটাই এ সংকটের কারণ। এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি মেরামত হয়েছে; কিন্তু এখন গ্যাস আমদানি কার্গো আসতে সমস্যা হচ্ছে। শিল্প কারখানার জন্য প্রাকৃতিক গ্যাস বাঁচাতে এবং গ্যাসের ওপর চাপ কমাতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি সর্বোচ্চ করতে বলা হয়েছে। দেশীয় উৎস থেকে ১৭০০ এমএমসিএফডি গ্যাস উত্তোলনের লক্ষ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও পুনর্খননের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আসল সংকট হয়তো বিদ্যুতের নয় : লোডশেডিং চোখে দেখা যায়। অন্ধকার ঘর, বন্ধ ফ্যান, থেমে থাকা কারখানা- এসবই সংকটের দৃশ্যমান মুখ। কিন্তু তার আড়ালে যে সমস্যাটি আরও গভীর, সেটি হলো জ্বালানি নিরাপত্তা।
একটি যুদ্ধ হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে। অথচ তার অভিঘাত পৌঁছে যাচ্ছে বাংলাদেশের রান্নাঘর পর্যন্ত। কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের ওপর বড় নির্ভরতা, দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমে যাওয়া এবং আমদানি করা এলএনজির ওপর বাড়তে থাকা নির্ভরতা- সবকিছু মিলে তৈরি হয়েছে একটি ভঙ্গুর সরবরাহব্যবস্থা। সুতরাং প্রশ্নটি শুধু ‘কখন বিদ্যুৎ আসবে’- এখানে আটকে থাকলে সংকটের আসল গল্পটি ধরা পড়বে না।
আসল প্রশ্ন হলো- বাংলাদেশের বিদ্যুৎব্যবস্থা কি এমন একটি জ্বালানি কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যার সুইচ দেশের হাতে পুরোপুরি নেই? যদি উত্তর ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে বর্তমান লোডশেডিং কেবল সাময়িক অন্ধকার নয়; এটি ভবিষ্যতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে একটি বড় সতর্কবার্তা।
সময়ের আলো/এসএকে