পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ম্যাক্স হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার নামের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে কর্মরত এক নার্সের বিরুদ্ধে নবজাতক শিশুর পায়ের হাড় ভেঙে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকালে পৌর শহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন ওই হাসপাতালে শিশুটিকে ফটো থেরাপি দিতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির বাবা-মা ও স্বজনরা জানান, গত শনিবার বালিয়াতলী ইউনিয়নের রেজাউলের স্ত্রী জান্নাতি আক্তার কনা ওই হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ভর্তি হন। ওদিন রাতেই ডা. তাসলিমা ফেরদৌসী রিমা তার অস্ত্রোপচার করেন এবং একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। মঙ্গলবার সকালে শিশুটির চোখে হলদে রং দেখা গেলে চিকিৎসকের পরামর্শে বিকেলে শিশুটিকে ফটো থেরাপি দিতে এক নার্স থেরাপি রুমে নিয়ে যায়। সেখান নেওয়ার কিছুসময় পরেই নবজাতকটি উচ্চস্বরে কান্না শুরু করে। এরপরে তারা এক্সরে করে জানতে পারেন নবজাতকটির পা ভেঙে দুই টুকরো হয়ে গেছে। হাসপাতালটির ওই নার্সের অবহেলায় বাচ্চাটির পা ভেঙেছে বলে অভিযোগ করেছেন রেজাউল-জান্নাতি দম্পত্তি। তবে তারা নার্সের নাম বলতে পারেননি।
ম্যাক্স হাসপাতালের মালিকানার অংশীদার নাহিদ জানান, নবজাতকের পা ঠিক কিভাবে ভেঙেছে সেটি নিশ্চিত হতে পারিনি। তবে আহত শিশুটির উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয়ভার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বহন করবে।
কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তেনমং বলেন, এবিষয়ে যদি কেউ অভিযোগ করে তবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সময়ের আলো/জোই