‘ইসলামী আইনে নেই’ বলে আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধের দাবি তালেবান সরকারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

আফগানিস্তানে সব ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তালেবান সরকার। তাদের দাবি, এই নিষেধাজ্ঞা ইসলামী আইনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।বুধবার

2026-09-03T14:38:46+00:00
2026-09-03T14:38:46+00:00
 
  মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬,
৪ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
আন্তর্জাতিক
‘ইসলামী আইনে নেই’ বলে আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধের দাবি তালেবান সরকারের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম 
আফগানিস্তানে সব ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তালেবান সরকার। সংগৃহীত ছবি
আফগানিস্তানে সব ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তালেবান সরকার। তাদের দাবি, এই নিষেধাজ্ঞা ইসলামী আইনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।  

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর আবারও আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে তালেবান। এরপর তারা আফগানিস্তানকে ইসলামী বা শরিয়া আইনে পরিচালিত দেশ হিসেবে ঘোষণা দেয়।

গত পাঁচ বছরে আফগানিস্তানে বিক্ষোভের ঘটনা খুবই কম ঘটেছে। এর মধ্যেই গত মাসে সরকার নতুন একটি বিধান জারি করে। সেখানে বলা হয়, সব ধরনের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ।  

তালেবান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, ইসলামী শাসন ব্যবস্থায় বিক্ষোভের অস্তিত্ব নেই। তার কথায়, বিক্ষোভ এমন সমাজে দেখা যায়, যেখানে ভিন্ন ধরনের আইন কার্যকর থাকে। উদাহরণ হিসেবে তিনি গণতন্ত্র বা প্রজাতন্ত্রের কথা উল্লেখ করেন।

মুজাহিদের দাবি, ইসলামী শাসন ব্যবস্থায় মানুষ বিক্ষোভ না করেই সরকারের কাছে নিজেদের অভিযোগ ও উদ্বেগ জানাতে পারে।

মুজাহিদ আরও বলেন, বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার ফলে মানুষের সময় নষ্ট হওয়া কমবে। একই সঙ্গে, ব্যক্তিগত সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনাও ঠেকানো সম্ভব হবে বলে দাবি করেন তিনি।


তালেবানের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ গত মাসের শেষ দিকে নতুন আইনটির সমালোচনা করে।

সংগঠনটি বলেছে, এটি তালেবানের সব ধরনের ভিন্নমত দমনের ‘নিষ্ঠুর প্রচেষ্টার’ আরেকটি পদক্ষেপ। 

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও আফগানিস্তানের আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে তালেবানের সাম্প্রতিক পরিবর্তনগুলোর সমালোচনা করেছে।

সংগঠনটির মতে, এসব পরিবর্তন আফগানিস্তানে মানবাধিকারের ওপর আরও ব্যাপক আঘাত। তালেবানের বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে তাদের নেওয়া সবচেয়ে গুরুতর বিধানগুলোর একটি বলেও অভিহিত করেছে অ্যামনেস্টি।    

আফগানিস্তানে বিক্ষোভের ঘটনা খুব কম হলেও সম্প্রতি নারী অধিকারকর্মীদের প্রতিবাদ সমাবেশে সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে।

জাতিসংঘের একদল বিশেষজ্ঞের তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর হেরাতে নারী অধিকার নিয়ে একটি বিক্ষোভ হয়। সেখানে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় অন্তত দুজন নিহত হন।  


সময়ের আলো/ইউএমএইচ

  বিষয়:   আফগানিস্তান  ইসলামী 


Advertisement
Loading...
Loading...
আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: