জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকল্প উৎসের সন্ধান করছে বাংলাদেশ। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নতুন জ্বালানি উৎস নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, এলএনজির নতুন উৎস এবং ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভবনকে শতভাগ সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সরকারি বিভিন্ন দফতর ও স্থাপনায় সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানো হবে।
বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের বিষয়েও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এ ক্ষেত্রে চীন ও জাপানের সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি এলএনজি আমদানিতে একাধিক উৎস নিশ্চিতের চেষ্টা করছে সরকার।
শামা ওবায়েদ বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতি সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, বিনিয়োগকারীদের হয়রানি কমানো এবং ডিজিটাল সেবার পরিধি বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশকে শুধু বন্যা, অবৈধ অভিবাসন বা সংকটের দেশ হিসেবে নয়, বরং গণতান্ত্রিক অগ্রগতি, অর্থনীতি, পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সংস্কৃতির সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে বিশ্বে তুলে ধরতে চায় সরকার।
আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকটসহ জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নয়নের অধিকার, মহামারি প্রতিরোধ ও পারমাণবিক নিয়ন্ত্রণের মতো বৈশ্বিক বিষয়গুলোতে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হবে।
শামা ওবায়েদ বলেন, পরিবর্তন একদিনে সম্ভব নয়। তবে বিভিন্ন খাতে গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও সম্ভাবনাময় দেশ হিসেবে তুলে ধরতে সরকার কাজ করছে।
সময়ের আলো/এমকে