এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ : সুপারভাইজার-হেলপারের দোষ স্বীকার, চালক রিমান্ডে

আদালত প্রতিবেদক

জাতীয়

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় সুপারভাইজার সাজু লস্কার এবং হেলপার মাহবুব

2026-09-06T19:51:14+00:00
2026-09-06T19:51:14+00:00
 
  রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২২ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতীয়
এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ : সুপারভাইজার-হেলপারের দোষ স্বীকার, চালক রিমান্ডে
আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫১ পিএম 
গ্রেফতার সাজু লস্কার ও মাহবুব আলম মনির। ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে ইসমাইল হোসেন নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় সুপারভাইজার সাজু লস্কার এবং হেলপার মাহবুব আলম মনির আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

রোববার ঢাকার পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। একইসঙ্গে বাসচালক সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম।

Advertisement
এদিন গ্রেফতার তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আসামি সাজু ও মনির স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। পরে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই নজরুল ইসলাম তালুকদার। পাশাপাশি আসামি সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর আসামি সাজুর এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছিদ্দিক আজাদ আসামি মনিরের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া আসামি সোহেলের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ইসমাইল হোসেন জামালপুর থেকে গাজীপুরের বাসায় আসার জন্য রওনা দেন। এ সময় গ্রামের বাড়ির জমি বিক্রির নগদ পাঁচ লাখ টাকা ও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য সঙ্গে নিয়ে বাসে ওঠেন। তাঁর আসার খবরে ছেলে মো. হাসান গাজীপুরের জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে থাকেন। তবে বাবার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে কল করে তিনি তা বন্ধ পান। পরে সকাল ১০টা পর্যন্ত জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করে বাসায় চলে যান।


দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার বনানী থানা থেকে প্রতিবেশী মন্টুকে ফোন করে জানানো হয়, ইসমাইল হোসেনের মরদেহ পাওয়া গেছে। পরে মরদেহের ছবি দেখে শনাক্ত করেন ছেলে হাসান।

তিনি জানতে পারেন, বনানী থানাধীন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী থেকে কুড়িলগামী সড়কের ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী এক্সপ্রেসওয়েতে তাঁর বাবাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে। কিন্তু সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা কোনো মালামাল পাওয়া যায়নি। তাঁর বাবার শরীরে জখমের চিহ্ন এবং নাক, মাথা ও ডান হাতের কব্জি সাদা স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. হাসান বাদী হয়ে বনানী থানায় হত্যা মামলা করেন।

সময়ের আলো/জেডআই
  বিষয়:   হত্যা  মরদেহ 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: