প্রকাশ: রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২০ পিএম
আবারও বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাঠানো শুরু করেছে নেপাল। ছবি : সংগৃহীতবন্যায় দুটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ। তবে বিকল্প জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে রফতানির অনুমতি পাওয়ার পর আবারও বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাঠানো শুরু করেছে নেপাল।
নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৬ আগস্টের ভয়াবহ বন্যায় নেপালের ত্রিশূলী ও চিলিম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি ভারতের হরিয়ানায় রফতানিও বাধাগ্রস্ত হয়। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারতীয় সঞ্চালন গ্রিড ব্যবহার করে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানো পুনরায় শুরু হয়।
নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ জানান, ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বিকল্প কয়েকটি কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ রফতানির অনুমতি দেওয়ায় সরবরাহ চালু করা সম্ভব হয়েছে। এখন সোলু খোলা ও কাবেলি বি-ওয়ান কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠানো হবে। আর হরিয়ানায় সরবরাহের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে লোয়ার মোদি খোলা কেন্দ্র।
২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি করে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিবছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করে দেশটি।
এদিকে, বন্যায় কয়েকটি কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ভারতে বিদ্যুৎ বিক্রি করে ৫ দশমিক ৯২৫ বিলিয়ন নেপালি রুপি আয় করেছে নেপাল। এ সময়ে দেশটি ৬৩৩ দশমিক ৯৮৬ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ রফতানি করেছে।
নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের চাহিদা মেটানোর পর বর্ষা মৌসুমে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে রফতানি করা হয়। এতে বিদ্যুৎ বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাড়তি উৎপাদন কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
সময়ের আলো/এমকে