বেতন-ভাতার দাবিতে মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ

নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

সারাদেশ

বেতন ভাতার দাবিতে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অফিস কক্ষে তালা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছে

2026-11-02T21:37:52+00:00
2026-11-02T21:37:52+00:00
 
  সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬,
১৮ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
সারাদেশ
বেতন-ভাতার দাবিতে মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ
নাগেশ্বরী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৭ পিএম 
তালা দেওয়া অফিস কক্ষের সামনে বারান্দায় বসে বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করেন শিক্ষকরা। ছবি : সময়ের আলো
বেতন ভাতার দাবিতে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অফিস কক্ষে তালা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছে সহকর্মীরা। এসময় তালা দেওয়া অফিস কক্ষের সামনে বারান্দায় বসে বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করেন তারা।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকালে অফিস কক্ষে মাদ্রাসা সুপার সাইদুর রহমান ও অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানকে তালাবদ্ধ করে রাখেন অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীরা।

বিক্ষোভকারী শিক্ষকরা জানান, এমপিওভুক্ত মাদ্রাসাটির সুপার সাইদুর রহমান ও অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানের মাঝে দীর্ঘ দিন থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। এই দ্বন্দ্বের জেরে মাদ্রাসার সব শিক্ষক ও কর্মচারীর বেতন ভাতা ৬ মাস থেকে বন্ধ রেখেছেন সুপার।

সহকারী শিক্ষক ইমরুল কায়েস জানান, দীর্ঘ দিন থেকে মাদ্রাসার সুপার ও অফিসসহকারীর মধ্যে নিয়োগ সংক্রান্ত ঝামেলা চলছে। এরই প্রেক্ষিতে সুপার সবার বেতন বন্ধ রেখেছে। আমরা ৬ মাস থেকে বেতন ভাতা পাই না। আমাদের মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত। সুপার আমাদের বেতন আটকিয়ে অমানবিক কাজ করেছেন। আজ আমরা তাদের দুজনকেই আটক করেছি। এর সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

আরেক সহকারী শিক্ষক রত্না পারভিন জানান, বেতন ভাতা ছাড়া তাদের পরিবার চালানো কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ দিতে পারেন না। বাধ্য হয়ে সুপার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করছেন তারা।

সহকারী মৌলভী শিক্ষক আমিনুল ইসলাম জানান, বেতনভাতা না দেওয়া পর্যন্ত তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রাখা হবে। বেতন ভাতা প্রদান করলে তারা পাঠদানে ফিরবেন।

অবরুদ্ধ সুপার সাইদুর রহমান অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানের উপর দোষ চাপিয়ে বলেন, আমি বেতন আটকাই নাই। বেতনের সব কাগজপত্র প্রস্তুত করেছিলাম, সেগুলো অফিসসহকারী শফিয়ার রহমান ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।

তবে অফিসসহকারী শফিয়ার রহমান, এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষকদের সাথে সমন্বয় করে তিনি বেতন দেবেন তাতে আমার আপত্তি থাকার কথা না। উনি সব মিথ্যা কথা বলছেন।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেব নাথ বলেন, কামাত আঙ্গারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে বিষয়টি সুরাহা করতে মাদ্রাসার সভাপতিকে অবগত করা হয়েছে। 

সময়ের আলো/আতা
  বিষয়:   বেতন  ভাতা  দাবি  মাদ্রাসা  অফিস সহকারী  অবরুদ্ধ  সময়ের আলো 


Advertisement
Loading...
Loading...
সারাদেশ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
Advertisement
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: