প্রকাশ: রোববার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:১৭ পিএম
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন । ছবি : সংগৃহীত ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো পরিকল্পিতভাবে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে ঘটানো হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্তের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি এবং পুলিশের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
আকতার হোসেন বলেন, সাম্প্রতিক বিস্ফোরণ ও যানবাহনে আগুন দেওয়ার প্রতিটি ঘটনা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে এসব ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন ও তাদের অঙ্গসংগঠনের সদস্যরাও রয়েছেন।
তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাশকতা চালিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের অপারেশনাল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ মোতায়েনও জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানুষের মধ্যে সৃষ্ট আতঙ্ক দূর করতে ডিএমপির মোবাইল পার্টি ও পিকেট ডিউটি অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের ওপর কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে, যাতে নাশকতার পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নের চেষ্টা আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
ককটেল তৈরির উপাদান কোথায় প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং কীভাবে এসব উপকরণ সংগ্রহ করা হচ্ছে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আকতার হোসেন বলেন, এর আগেও ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও বিস্ফোরকদ্রব্যসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নাশকতার কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্প কিংবা অন্য কোনো উৎস থেকে দাহ্য পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কি না, সেটিও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এ ক্ষেত্রে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দাহ্য পদার্থ সংগ্রহকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। নাশকতার উদ্দেশ্যে এসব উপাদান সংগ্রহের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে ডিএমপির অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সময়ের আলো/কেএইচও