খেলাপি ঋণ এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণ

নিরঞ্জন রায়

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূূত সমস্যা, খেলাপি ঋণ সমস্যা সমাধানের কাজে হাত দিয়েছে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত ১২

2024-04-03T01:26:13+00:00
2024-04-03T01:26:13+00:00
 
  শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬,
৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
সম্পাদকীয়
খেলাপি ঋণ এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণ
নিরঞ্জন রায়
প্রকাশ: বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৪, ১:২৬ এএম   (ভিজিট : ১২৩৩)
খেলাপি ঋণ এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণ
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের ব্যাংকিং খাতের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূূত সমস্যা, খেলাপি ঋণ সমস্যা সমাধানের কাজে হাত দিয়েছে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত ১২ মার্চ ২০২৪ তারিখে এ-সংক্রান্ত বিআরপিডি সার্কুলার নম্বর ৬ জারি করেছে। দেশের ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যাংক ব্যবস্থার মানোন্নয়নের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কয়েক মাস আগে যে একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে, তারই একটি পদক্ষেপ হিসেবে এই সার্কুলার জারি করেছে।

এই সার্কুলারে যে বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে, তা হচ্ছে-১. ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতার সংজ্ঞা, ২. ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতার তালিকা, ৩. ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা শনাক্তকরণ, ৪. ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা চূড়ান্তকরণ, ৫. ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতার বিরুদ্ধে গৃহীতব্য ব্যবস্থা, ৬. নির্দেশনা লঙ্ঘনের দায়ে জরিমানা এবং ৭. ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতার ব্যাপারে রিপোর্ট দাখিল। সার্কুলারে উল্লেখিত বিষয়গুলোর মধ্যে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণের সংজ্ঞা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। 

সার্কুলারে উল্লেখিত সংজ্ঞা অনুযায়ী চার ধরনের অবস্থায় একজন ঋণগ্রহীতা ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা হিসেবে চিহ্নিত হবেন। এই চারটি অবস্থা হচ্ছে-১. কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি তার নিজের, তার পরিবারের সদস্যের, স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির অনুকূলে কোনো ব্যাংক কোম্পানি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে গৃহীত ঋণ, অগ্রিম, বিনিয়োগ বা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা বা এর অংশ বা এর ওপর আরোপিত সুদ বা মুনাফা তার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও পরিশোধ না করেন; বা ২. কোনো ব্যাংক কোম্পানি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে জালিয়াতি, প্রতারণা বা মিথ্যা তথ্য প্রদানের মাধ্যমে নিজের, তার পরিবারের সদস্যের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানির নামে ঋণ, অগ্রিম, বিনিয়োগ বা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেন; বা ৩. কোনো ব্যাংক কোম্পানি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে যে উদ্দেশ্যে ঋণ, অগ্রিম, বিনিয়োগ বা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছিল, সেই উদ্দেশ্য ব্যতিরেকে অন্য কোনো উদ্দেশ্যে উক্ত ঋণ, অগ্রিম, বিনিয়োগ বা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধা বা এর অংশবিশেষ ব্যবহার করেন; বা ৪. ঋণ বা অগ্রিমের বিপরীতে প্রদত্ত জামানত ঋণ বা অগ্রিম প্রদানকারী কোনো ব্যাংক কোম্পানি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লিখিত পূর্বানুমতি ব্যতীত হস্তান্তর বা স্থানান্তর করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলারে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণ নির্ণয়ের যে চারটি সুনির্দিষ্ট অবস্থা বা প্যারামিটার নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের সব খেলাপি ঋণই এই ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণের সংজ্ঞার আওতায় পড়বে। আমাদের দেশে যেভাবে ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বা ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট পরিচালনা করা হয়, বিশেষ করে যেভাবে ঋণ বিতরণ, তদারকি এবং পরিশোধের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে তাতে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিতরণ করা সব খেলাপি ঋণই কোনো না কোনোভাবে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণের পর্যায়ে ফেলে দেওয়া যাবে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলো এই সার্কুলার মেনে চলতে বা ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা নির্ণয় করতে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হবে। গ্রাহকদের সঙ্গে অনেক ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং কিছু খেলাপি ঋণ যদি এখনও আদায়ের সম্ভাবনা থাকে, সেটিও ব্যাহত হতে পারে। পক্ষান্তরে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতার তালিকা এত লম্বা হবে যে তা তৈরি করে যথাসময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে ব্যাংকগুলোকে অকারণে ব্যস্ত থাকতে হবে। আর বাংলাদেশ ব্যাংক এরকম বস্তা বস্তা ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতার প্রতিবেদন হয়তো দেখারও সুযোগ পাবে না। মাঝখান থেকে যারা প্রকৃতই ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা, তারা ধামাচাপা পড়ে যাবে। 

একথা অনস্বীকার্য যে, ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা চিহ্নিত করা সহজ হলেও, তাদের সামনে আনা মোটেই সহজ নয়, বরং বলা চলে প্রায় অসম্ভব। কেননা যারা প্রকৃতই ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা, তারা সমাজে যথেষ্ট ক্ষমতাবান। ক্ষমতাবান না হলে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে ইচ্ছাকৃত খেলাপি হওয়া সম্ভব নয়। সাধারণ মানুষকে যেখানে প্রয়োজনীয় ঋণ পেতেই গলদঘর্ম হতে হয়, সেখানে তারা ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি হয়ে টিকে থাকবে কীভাবে। ব্যাংক তো তার বিরুদ্ধে মামলা করে হয় তাকে জেলের ভাত খাইয়ে ছাড়বে, নতুবা ভিটেমাটি বিক্রি করে তাকে সর্বস্বান্ত করে ছাড়বে। আমার পরিচিত অনেকেই ইতোমধ্যে ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতারা সমাজের ক্ষমতাবান ব্যক্তি হওয়ায় কীভাবে পার পেয়ে যান, তার দুটি দৃষ্টান্ত পাঠকদের অবগতির জন্য উল্লেখ করছি। 

গত শতাব্দীর নব্বই দশকের একটি ঘটনা, তখন আমি একটি প্রথম সারির বেসরকারি ব্যাংকে কাজ করি। সেই ব্যাংক থেকে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রায় ৫ কোটি টাকার মতো ঋণ নিয়ে অন্যত্র সরিয়ে রেখেছিলেন প্রায় ৬/৭ বছর, ততদিনে সেই ঋণ সুদেআসলে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। যেহেতু সেই ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাবান ব্যক্তি, তাই তিনি তার প্রভাব খাটিয়ে ঋণের ওপর অর্জিত সুদের বিশাল অংশ মওকুফ করাতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং নামমাত্র সুদসহ সেই গৃহীত ঋণের টাকা ফেরত দিয়েছিলেন। সেই প্রভাবশালী ঋণগ্রহীতা যদি ঋণের ৫ কোটি টাকা অন্য কোনো ব্যাংকে ফেলে রেখে থাকে, তাতেও সেই টাকা ততদিনে দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল। 

অর্থাৎ প্রভাবশালী ঋণগ্রহীতা হওয়ায় ঋণের ওপর সুদ মওকুফের সুযোগ নিয়ে অনায়াসে কয়েক কোটি টাকা বানিয়ে নিতে পেরেছিলেন। সেই একই ব্যাংকে এই শতাব্দীর শুরুর দিকের ঘটনা, যখন আমি সেখানে দ্বিতীয়বার কাজ করতে এসেছিলাম। তখন বগুড়ার এক টেইলার্সের মালিক প্রায় দশ লাখ টাকার মতো ঋণ নিয়ে খেলাপি হন। সেই ঋণ সুদে আসলে বৃদ্ধি পেয়ে বিশ লাখ ছাড়িয়ে যায় এবং একদিন ঋণগ্রহীতা মারা যায়। মৃত ঋণগ্রহীতার বিধবা স্ত্রী স্বামীর নেওয়া ঋণ শোধ করার উদ্দেশ্যে ঋণের ওপর সুদ মাফ চেয়ে আবেদন করে ব্যর্থ হয়েছেন। সেই অসহায় বিধবা সুদূর বগুড়া থেকে ছুটে এসে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হয়ে অনেক আকুতি-মিনতি করেছেন তার মৃত স্বামীর গৃহীত ঋণের ওপর অর্জিত সুদ মাফ করার জন্য। আমরা সবাই তার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলাম এবং আমার এক অগ্রজ সহকর্মী তার সুদ মাফের আবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করে অনেক গালমন্দও শুনেছেন। কিন্তু সেই সুদ মাফের আবেদন আর মঞ্জুর হয়নি। জানি না পরে সেই অসহায় বিধবার আবেদনে সাড়া দিয়ে ঋণের ওপর অর্জিত সুদ মাফ করা হয়েছিল কি না এবং সেই বিধবা তার মৃত স্বামীর রেখে যাওয়া ঋণ শোধ করতে পেরেছিলেন কি না। 

এই হচ্ছে আমাদের দেশে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা এবং প্রকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতার মধ্যকার বাস্তব অবস্থা। বিগত দুই দশকে দেশে খেলাপি ঋণের যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে, তাতে ওপরে উল্লিখিত অবস্থার খুব যে বেশি উন্নতি হয়েছে তেমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই; বরং অবস্থার বেশ অবনতি হয়েছে বলেই অবস্থাদৃষ্টে প্রতীয়মান হয়। আর এ ধরনের অবনতিশীল অবস্থায় এই সার্কুলার দেশের ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করে তাদের শাস্তির আওতায় আনা বা তাদের গৃহীত ঋণ আদায়ে কতটা কাজে আসবে তা আমাদের মতো সাধারণ ব্যাংকারের কাছে মোটেই বোধগম্য নয়। উল্টো দেখা যাবে, এই সার্কুলারের ফলে আমার কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার মতো ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতারা ঠিকই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাবেন। মাঝখান থেকে বগুড়ার সেই অসহায় মহিলার মতো সাধারণ ঋণগ্রহীতা যারা সঙ্গত কারণে খেলাপি হতে বাধ্য হয়েছেন, তারাই সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়বেন। 

এ ধরনের বিচ্ছিন্ন কিছু পদক্ষেপ নিয়ে দেশের খেলাপি ঋণ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। খেলাপি ঋণের ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত শ্রেণিবিভাগের কোনো সুযোগ নেই। যেভাবেই হোক না কেন, কেউ ঋণখেলাপি হলে সেটি ব্যাংকের প্রচলিত নিয়মেই সমাধান করতে হবে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, যারা ঋণ জালিয়াতি করেছেন, বেনামে ঋণ নিয়েছেন, ঋণের টাকা পাচার করেছেন বা মিথ্যা/অসত্য তথ্য দিয়ে ঋণ নিয়েছেন, তারা ছাড় পেয়ে যাবেন। অবশ্যই না। এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের অবশ্যই ফৌজদারি বা ক্রিমিনাল অপরাধের জন্য বিচার করতে হবে। আর এরকম বিচার করতে গেলে অনেক ব্যাংকার, যারা এসব কাগজপত্র ভেরিফিকেশন করেছেন বা যেসব এমডি এ ধরনের ঋণ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন, তারাও তো ফেঁসে যাবেন। এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তা নিয়মিত অডিট করেছেন অথচ এসব ঘটনা চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন, তারাও তো সমানভাবে দায়ি থাকবেন।  

এভাবে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা চিহ্নিত করার পরিবর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত ব্যাংকগুলোকে এই মর্মে নির্দেশ দেওয়া, যাতে করে ব্যাংকগুলো তাদের খেলাপি ঋণ বিস্তারিত বিশ্লেষণ করে সুনির্দিষ্ট তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করতে পারে। খেলাপি ঋণের এই তিনটি শ্রেণি হবে-১. ভালো ঋণে রূপান্তরের সম্ভাবনা আছে এরকম খেলাপি ঋণ, ২. আদায় হওয়ার সম্ভাবনা আছে এরকম খেলাপি ঋণ এবং ৩. কোনোরকম আদায় হওয়ার সম্ভাবনা নেই সেরকম খেলাপি ঋণ। প্রথম এবং দ্বিতীয় ধরনের খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংক তার পরিবর্তনসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। আর তৃতীয় ধরনের খেলাপি ঋণের ক্ষেত্রে অবলোপন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সেই অবলোপন হতে পারে ব্যাংকের বর্তমান রেভিনিউ ব্যবহার করে, অথবা ভবিষ্যৎ উপার্জন থেকে। এখানেই সরকারি সহযোগিতায় ইটালির ব্যাড ব্যাংক বা ভারতের অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির মতো ভেহিক্যাল প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন হবে। তবে সবকিছুর আগে দেশের লোন অপারেশন বা ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর করে নতুনভাবে ইচ্ছাকৃত বা ভুলভাবে খেলাপি ঋণ হওয়ার সুযোগ বন্ধ করতে হবে। তা না হলে দ্বিমুখী ট্রাফিক বজায় রাখলে, খেলাপি ঋণ সমস্যার সমাধান তো হবেই না, উল্টো বাড়তে থাকবে।



অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং বিশেষজ্ঞ

সময়ের আলো/আরএস/ 



Loading...
Loading...
সম্পাদকীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: