৬০ বছরের বিটিভির একী দশা

সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম

সম্পাদকীয়

আজ ২৫ ডিসেম্বর। আজ ৬০ বছরে পা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিভিশন। এই টেলিভিশনের পাইওনিয়র হচ্ছেন জামিল চৌধুরী। তিনি এগিয়ে না

2024-12-25T01:15:45+00:00
2024-12-25T01:15:45+00:00
 
  শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬,
২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
সম্পাদকীয়
৬০ বছরের বিটিভির একী দশা
সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম
প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১:১৫ এএম   (ভিজিট : ৫৯০)
৬০ বছরের বিটিভির একী দশা
আজ ২৫ ডিসেম্বর। আজ ৬০ বছরে পা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিভিশন। এই টেলিভিশনের পাইওনিয়র হচ্ছেন জামিল চৌধুরী। তিনি এগিয়ে না এলে এই বিটিভি আলোর মুখ দেখতেন কি না সন্দেহ। তৎকালীন পাকিস্তানের সময়ে ডিআইটিতে, বর্তমানে যা রাজউক ভবন। এই ভবনে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ টেলিভিশন। জামিল চৌধুরীর সঙ্গে আরও যারা কর্মযজ্ঞে যোগ দিয়েছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন-কলিম শরাফী, মোস্তফা মনোয়ার, কেরামত মওলাসহ আরও অনেকে। স্মৃতির পাতায় তাদের অবদান এখনও অবিস্মরণীয়।

ছোট্ট একটি রুমে বিটিভির যাত্রা শুরু ফেরদৌসি রহমানের একটি গানের মাধ্যমে। সে সময় সরাসরি অনুষ্ঠান প্রচার করা হয়েছিল। এরপর নাটক প্রচার করা হয় যার নাম ‘একতলা দোতালা’। সে সময়ে অভিনেত্রী রেশমা এই নাটকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। রেশমার প্রকৃত নাম ছিল আজমেরী জামান। পরবর্তী সময়ে রেশমা নামেই তিনি বিখ্যাত হন। তার অভিনীত চলচ্চিত্রের সংখ্যা কম নয়। নাটকে আরও যে কজন অভিনয় করেন এর মধ্যে অন্যতম সৈয়দ আহসান আলী সিডনী, খলিল।
দিনে দিনে বিটিভি তার যৌবন ফিরে পায়। এ কথা আর বলার অপেক্ষা রাখে না, সে সময় বিটিভি ছিল বাংলাদেশের একমাত্র টিভি। আস্তে আস্তে বিটিভিতে যোগ হতে থাকে প্রতিভাবান প্রযোজক ও শিল্পী-কলাকুশলী। বিশেষ করে স্বাধীনতার পর বিটিভি দর্শক মহলে এক আর্কষণীয় ও শিল্প-সংস্কৃতির পথ পরিক্রমা হয়ে দাঁড়ায়।

বাংলাদেশ টেলিভিশনে আবদুল্লাহ আল মামুন নাটকের ক্ষেত্রে এক নতুন মোড় দেখিয়ে দেন। একে একে আল মনসুর থেকে শুরু করে নিত্যনতুন প্রযোজকের মাত্রা যোগ হয়। অনেকে তাদের মেধা দিয়ে অভিনয়ের পরিস্ফুটন ঘটান। বাংলাদেশ টেলিভিশন পেয়েছিল অনেক মেধাবী প্রযোজক। যারা পরবর্তী সময়ে বেসরকারি টিভি চ্যানেলে তার মেধা দিয়ে সেসব চ্যানেলকে এক উচ্চ শিখরে পৌঁছে দেন। মোস্তফা কামাল সৈয়দ বিটিভির কর্মজীবন শেষ করে যোগ দেন বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভিতে। সেখানে অনুষ্ঠান পরিকল্পনায় এক অনন্য বাঁক তৈরি করেন।

নওয়াজিশ আলী খান বিটিভির একজন প্রখ্যাত প্রযোজক হিসেবে পরবর্তী সময়ে যোগ দেন এটিএন বাংলায়। এই বেসরকারি চ্যানেলটি বাংলাদেশে প্রথম চ্যানেল হিসেবে পরিচিত। বরকতউল্লাহ তিনি তার বিটিভির জীবন শেষ করে যোগ দেন বাংলাভিশনে। অর্থাৎ পরবর্তী সময়ের বেসরকারি টিভি চ্যানেলে যারা যোগ দিয়েছেন তারাই মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন।

বিটিভির ইতিহাস দীর্ঘ। এই দীর্ঘ পথচলার ইতিহাসে আজ অনেকের নাম বাদ পড়ে যেতে পারে। কিন্তু বিটিভির কাছে তাদের অবদান চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। বিটিভিতে প্রথম নাটক লেখেন জহির রায়হান। তার উপন্যাস নিয়েও অনেক নাটক প্রচারিত হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে ‘বরফ গলা নদী’। বিখ্যাত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদ। একসময়ে যখন এই সব দিনরাত্রি সিরিয়াল নাটকটি প্রচার হয় সেদিন সন্ধ্যার পর রাস্তাঘাট একেবারে ফাঁকা হয়ে যেত। নাটক রচনা ক্ষেত্রে আরও যারা অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে মামুনুর রশীদ, আমজাদ হোসেন। ঈদের নাটক বলতেই ছিল আমজাদ হোসেনের নাটক। জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিল এমন অনেক নাটক যা এখনও দর্শকের মনে আলোড়ন সৃষ্টি করে।

ফজলে লোহানীর ‘কিছু যদি মনে না করেন’, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের উপস্থাপনা বিটিভিকে দিয়েছে এক অন্য মাত্রা। একসময় প্রফেসর ডা. বদরুদ্দোজা চৌধরীর প্রাণবন্ত উপস্থাপন করতেন বিটিভিতে। এভাবে অনেকের নাম এখন স্মরণে আসে। যা বিটিভির জন্য ছিল এক অমূল্য সম্পদ।

বিটিভিতে নাট্যকার ও নির্দেশক হিসেবে আতিকুল হক চৌধুরী এখনও অনেক নাট্যকারের কাছে পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে। একইভাবে আবদুল্লাহ আল মামুন মঞ্চ ও টিভি নাটকের জন্য নতুন প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

অভিনয়ে সমৃদ্ধ করেছিলেন ফেরদৌসি মজুমদার, আফজাল, সুবর্ণা, ডলি জহুর, আলী যাকের, দিলারা জামানসহ অসংখ্য অভিনেতা-অভিনেত্রীর নাম। যা বলে শেষ করা যাবে না। আবার আতিকুল হক চৌধুরীর হাত ধরে বিটিভিতে এসেছিলেন অনেক অভিনেত্রী ও অভিনেতা। এর মধ্যে কেয়া চৌধুরীসহ আরও অনেকে।

মোট কথা বিটিভির সোনালি অতীত স্বর্ণময়। একঝাঁক মেধাবী প্রযোজক মনোযোগ দিয়েছেন তাদের অনুষ্ঠান নির্মাণ কৌশলীর দিকে। সুস্থ প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছেন প্রযোজক জিয়া আনসারি, বিয়াজউদ্দিন বাদশা, আলী ইমাম, খ ম হারুন, মাহবুবুল আলম, কামরুনেসা হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান, ফরিদুর রহমান, আবু তাহের প্রমুখ। এদের মধ্যে অনেকে বিটিভির শীর্ষ পদে আসীন হয়েছেন। বর্তমানে মাহবুবুল আলম বিটিভির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। তার প্রযোজনায় বিজ্ঞানভিত্তিক অনুষ্ঠান অণু-পরমাণু অল্প দিনেই দর্শকের কাছে খুব প্রিয় অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে।

বিটিভিতে শুরু হয়েছিল নতুন কুড়ি অনুষ্ঠান। মরহুম জিয়াউর রহমান এই অনুষ্ঠানের পথপ্রদর্শক। এই নতুন কুড়িতে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে বিজয়ীরা হলেন আজকের তারিন, ঈশিতা অন্যতম।

বিটিভিতে জাতীয় বিতর্ক অনুষ্ঠান প্রচারিত হতো। এই অনুষ্ঠান একসময়ে জনপ্রিয়তার তুঙ্গে পৌঁছে যায়। এই অনুষ্ঠানের অন্যতম কারিগর হলেন আজকের বিটিভির মহাপরিচালক মাহবুবুল আলম। বিটিভি এমন অনেক অনুষ্ঠান প্রচার করেছে যা দর্শকরা লুফে নিয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে বিটিভির মান আস্তে আস্তে কমতে থাকে। বিশেষ করে এই বিটিভি মিয়া বিবি গোলামের বাক্সে পরিণত হয়। সরকারি গণমাধ্যম হিসেবে যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে সেই তার নিজের স্বার্থে বিটিভিকে ব্যবহার করেছে।

বিটিভি হয়ে গেল একেবারে সরকারি ছত্রছায়ার দখলে। তা না হলে দর্শক কেন বিটিভি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে। বিটিভিকে স্বায়ত্তশাসন দেবে বলে একবার আওয়াজ উঠেছিল। সাবেক সচিব আসাফউদ্দৌলাকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছিল। কমিশন তাদের রিপোর্ট দিয়েছিল। কিন্তু সে রিপোর্টের সুপারিশ বাস্তবায়ন হওয়া তো দূরের কথা, সেই রিপোর্ট আলোর মুখ দেখেনি।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গণমাধ্যমের জন্য একটি কমিশন গঠন করেছে। এই কমিশনকে বিগত দিনের এই রিপোর্ট পেতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। এই রিপোর্ট এখন হিমাগারে তা প্রতীয়মান হয়।
এখন দর্শক বিটিভির কোনো সংবাদ দেখে কি না সন্দেহ হয়। অনেক দিন আগে এক জরিপে দেখা গেছে, বিটিভি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে বিশ্বাসযোগ্যতা। বিশেষ করে সরকারপ্রধানের সংবাদ দিয়ে শুরু। আবার শেষ সরকারের বিভিন্ন নেতা আর পাতি নেতাদের সংবাদ দিয়ে। অন্তর্বর্তী সরকার যে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করেছে তারা বিটিভির জন্য কী সুপারিশ করে এখন তা দেখার বিষয়। আশা করব, এমন সব সুপারিশ থাকবে যেন দর্শক বিটিভির দিকে আস্তে আস্তে মুখ ফেরায়। কারণ জনগণের করের টাকায় এই সরকারি গণমাধ্যম চলে। দর্শক যদি বিমুখ হয় তা হলে এই ধরনের গণমাধ্যম থাকার আদৌ প্রয়োজন আছে কি না তা গুরুত্বসহকারে বিবেচনার দাবি রাখে।
বিটিভিতে এখন অনুষ্ঠানের নামে চলে তা সত্যি দুঃখজনক। বিশেষ করে শিল্পী অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে অডিশনের রেওয়াজ চালু আছে বিটিভিতে। কিন্তু অডিশনে পাশ করিয়ে দেওয়ার নামে অনেকে দুর্নীতির আশ্রয় নিচ্ছেন। এ ব্যাপারে বেশ কয়েক দিন আগে একটি অডিও ক্লিপ ফাঁস হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিটিভির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দুদক এ ব্যাপারে যথাযথভাবে তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবেন সে প্রত্যাশা দর্শকদের।

বিটিভি একসময় অনেক কিছু ভালো ভালো অনুষ্ঠান উপহার দিয়েছে সে কথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। কিন্তু এখন কেন দিতে পারছে না তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। গত ২২ ডিসেম্বর অর্থাৎ মাত্র কয়েক দিন আগে বিটিভির তালিকাভুক্ত শিল্পীসহ কলাকুশলীদের সম্মানী বাড়ানো নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে দেশের প্রথিতযশা শিল্পী-কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন। তারাও অবলীলায় স্বীকার করেছেন, বাংলাদেশে শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশ বিনোদনের জন্য বিটিভির ছিল ব্যাপক ভূমিকা। বিশেষ করে সত্তর ও আশির দশকে বিটিভির বিভিন্ন নাটক, গান, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে অনেক কালজয়ী গান, নাটক, শিল্পী ও কলাকুশলীর জন্ম দিয়েছে। আজকের দিনে যারা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নানাভাবে প্রতিষ্ঠিত, একসময় তাদের প্রাণের জায়গা ছিল বাংলাদেশ টেলিভিশন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়েছে, দুঃখজনক হলেও সত্য, ৬০ বছর পূর্তির প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে বর্তমানে বিটিভিতে চরম অব্যবস্থাপনা, কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, অদক্ষতা ও জবাবদিহিতার অভাবে এই প্রতিষ্ঠানটি দুর্নীতিবাজদের করাল গ্রাসে ডুবতে বসেছে। সবমিলিয়ে রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটির মৃত্যুর শেষ প্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। বিটিভিতে দীর্ঘদিন ধরে চলমান দুর্নীতির কারণে প্রতিষ্ঠানটির মান ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। শিল্পীদের সম্মানী দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম চলছে। অনেক শিল্পী সময়মতো তাদের পাওনা পাচ্ছেন না।
                                                                      
এদিকে শিল্পীসহ বিভিন্ন কলাকুশলীদের পক্ষ থেকে দাবি উঠেছে, বিটিভির অডিশনের নীতিমালা ভঙ্গ করে সাবেক মহাপরিচালক ড. জাহাঙ্গীর আলম নিয়মবহির্ভূতভাবে সংগীত শিল্পীদের যে অডিশন সম্পন্ন করেছেন এ ব্যাপারে তদন্ত করতে হবে। বিগত ২০২২-২৩ অর্থবছরে ঢাকা কেন্দ্রে নিয়মবহির্ভূতভাবে ও অনুমোদন ছাড়াই ১৩ কোটি ২৮ লাখ অতিরিক্ত খরচ দেখিয়ে মাহফুজা আক্তারের নেতৃত্বে মোল্লা আবু তৌহিদসহ আরও অনেকে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারকে এসব অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত পদক্ষেপ নেবেন সে প্রত্যাশা রইল।

বিটিভিকে আগামীর জন্য অনুষ্ঠান ও সংবাদ উপস্থাপনার ক্ষেত্রে মান উন্নত করা। এর জন্য বিদেশি গণমাধ্যমের সহযোগিতা নেওয়া যেতে পারে। বিটিভির সংবাদ প্রচার এমন করা প্রয়োজন যেন তা আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছাতে পারে। তবে এর জন্য প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। দক্ষ সাংবাদিক নিয়োগ থেকে শুরু করে সংবাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নিশ্চয়তা প্রদান। ইংরেজি সংবাদের ক্ষেত্রে আরও বৈচিত্র্য আনা, যেন বিদেশিরা সংবাদ দেখে সবকিছু আঁচ করতে পারে। এ ছাড়াও সামাজিক সমস্যা থেকে শুরু করে রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রযুক্তির উৎর্কষের দিকে নজর দেওয়া। পাশাপাশি আগামী দিনের বাংলাদেশকে কীভাবে দেখতে চায় তার একটি সরাসরি অনুষ্ঠান প্রচারের ব্যবস্থা করা। আর তা হতে হবে একেবারে প্রাণবন্ত। তা হলে হয়তো বদ্ধজলে জোয়ার আসবে।




সাংবাদিক

সময়ের আলো/আরএস/







Loading...
Loading...
সম্পাদকীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: