রমজান ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের তৃতীয়। তাই রমজানে প্রত্যেক সুস্থ মস্তিষ্ক, প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের উপর রোজা ফরজ (অবশ্য পালনীয়)। এ মাসের একটি রোজা অবশিষ্ট পূর্ণ বছর রোজা রাখার চেয়েও অনেক বেশি সওয়াবের। বিনা কারণে রোজা না রাখা কোনো মুসলমানের জন্য জায়েজ নয়। আমরা অনেকেই এসময় অসুস্থ থাকি। অসুস্থতার জন্য অনেক ধরনের টেষ্ট করাতে হয়।
একজন জানতে চেয়েছেন, এন্ডোসকপি করলে রোজা কি ভেঙে যাবে?
এর উত্তরে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, এন্ডোসকপি করার সময় যদি নলে কোনো ওষুধ বা পানি ইত্যাদি লাগানো থাকে, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। আর যদি কারো ক্ষেত্রে পানি বা ওষুধ ভেতরে প্রবেশ করানো ছাড়াই টেস্টটি সম্পন্ন করা হয় তাহলে তার রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।
এন্ডোসকপির মতোই মলদ্বার দিয়ে নল ঢুকিয়ে আরেকটি পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রেও একই হুকুম প্রযোজ্য হবে। তবে সতর্কতার দাবি হলো—এ ধরনের টেস্ট দিনে না করে রাতে করা। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া : ১/২০৪, আদ্দুররুল মুখতার : ২/৩৯৬)
আরেকজন জানতে চেয়েছেন, আলট্রাসনোগ্রাম করলে রোজা কি ভেঙে যাবে?
এর উত্তরে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, আলট্রাসনোগ্রাম করলে রোজা ভাঙবে না; কারণ আলট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষায় যে ঔষধ বা যন্ত্র ব্যবহার করা হয় সবই চামড়ার উপরে থাকে। (হেদায়া)