যেসব কারণে ভূমিকম্প হয়

সময়ের আলো ডেস্ক

বিবিধ

সহজ কথায় পৃথিবীর কেঁপে ওঠাই ভূমিকম্প। হঠাৎ আমরা নিজেরা চেয়ারে বসা বা খাটে শোয়া অবস্থায় যখন দেখতে চাই, চারপাশের সবকিছু

2025-11-21T11:19:33+00:00
2025-11-21T11:41:54+00:00
 
  বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬,
৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
বিবিধ
যেসব কারণে ভূমিকম্প হয়
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৯ এএম  আপডেট: ২১.১১.২০২৫ ১১:৪১ এএম  (ভিজিট : ৪৪৩)
যেসব কারণে ভূমিকম্প হয়। ছবি : সংগৃহীত
সহজ কথায় পৃথিবীর কেঁপে ওঠাই ভূমিকম্প। হঠাৎ আমরা নিজেরা চেয়ারে বসা বা খাটে শোয়া অবস্থায় যখন দেখতে চাই, চারপাশের সবকিছু অস্বাভাবিকভাবে কাঁপছে বা দুলছে অথবা দেয়ালঘড়ি, টাঙানো ছবি বা অন্য যেকোনো আসবাব দুলছে—আমরা বুঝতে পারি ভূমিকম্প হচ্ছে।

ভূমিকম্প হচ্ছে ভূমির কম্পন। ভূ-অভ্যন্তরে যখন একটি শিলা অন্য একটি শিলার ওপরে উঠে আসে, তখন ভূমি কেঁপে হয়। পৃথিবীপৃষ্ঠের অংশবিশেষের হঠাৎ এই অবস্থান পরিবর্তন বা আন্দোলনই ভূমিকম্প।

যখন ভূ-পৃষ্ঠের ফাটল বা আগ্নেয়গিরির মুখ দিয়ে ভূ-অভ্যন্তরের স্থিত গ্যাস বেরিয়ে আসে তখন সেই গ্যাসের অবস্থানটি ফাঁকা হয়ে পড়ে আর পৃথিবীর উপরের তলের চাপ ওই ফাঁকা স্থানে দেবে গিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখে। তখনই ভূ-পৃষ্ঠে প্রবল কম্পনের অনুভব হয়, যা ভূমিকম্প নামে পরিচিত।

ভূমিকম্প তিন রকম

উৎসের গভীরতা অনুসারে ভূমিকম্পকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়—প্রচণ্ড, মাঝারি ও মৃদু বা অগভীর, মধ্যবর্তী ও গভীর ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ভূ-পৃষ্ঠের ৭০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে অগভীর, ৭০ থেকে ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে মধ্যবর্তী এবং ৩০০ কিলোমিটারের নিচে হলে তাকে গভীর ভূমিকম্প হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

ভূমিকম্প হওয়ার তিন কারণ

সাধারণত তিনটি প্রধান কারণে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়ে থাকে—ভূ-পৃষ্ঠের হঠাৎ পরিবর্তন-জনিত কারণে, আগ্নেয়গিরি সংঘটিত হওয়ার কারণে ও শিলাচ্যুতি-জনিত কারণে। ভূ-অভ্যন্তরে স্থিত গ্যাস যখন ভূ-পৃষ্ঠের ফাটল বা আগ্নেয়গিরির মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে, তখন সেই গ্যাসের অবস্থানটি ফাঁকা হয়ে পড়ে আর পৃথিবীর উপরের তলের চাপ ওই ফাঁকা স্থানে দেবে গিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখে। তখনই ভূ-পৃষ্ঠে প্রবল কম্পনের অনুভব হয়; যেটি আমরা ভূমিকম্প নামে চিনি। 

সারা পৃথিবীতে সারাক্ষণই কোথাও না কোথাও ভূকম্পন হতে থাকে। তবে সেটা যদি রিখটার স্কেলে দুই দশমিক পাঁচের নিচে হয়, তবে সেটা একেবারেই টের যায় না।


রিখটার স্কেলে এককের সীমা ১ থেকে ১০ পর্যন্ত। এই স্কেলে মাত্রা ৫-এর বেশি হওয়া মানেই ভয়াবহ দুর্যোগের আশঙ্কা। ভূমিকম্প এক ডিগ্রি বৃদ্ধি পেলে এর মাত্রা ১০ থেকে ৩২ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা- ৫-৫.৯৯ মাঝারি, ৬-৬.৯৯ তীব্র, ৭-৭.৯৯ ভয়াবহ এবং ৮-এর ওপর অত্যন্ত ভয়াবহ।

সময়ের আলো/জেডআই


  বিষয়:   ভূমিকম্প  ভূমির কম্পন  শিলা  পৃথিবীপৃষ্ঠ 


Loading...
Loading...
বিবিধ- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: