বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের আরও ৬৫ নেতার বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য যেসব নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল তাদের মধ্যে কুষ্টিয়া, নরসিংদী, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, রাজশাহী, গাজীপুর, পটুয়াখালী, ঝিনাইদহ, দিনাজপুর, ফেনী, শেরপুর, খুলনা, নীলফামারী, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, বগুড়া, মানিকগঞ্জ, কুমিল্লা, সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নেতারা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলা মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ইন্দোনেশিয়া সিটু, নরসিংদীর আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. আব্দুর কাইয়ুম সরকার, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল্লাহ আল-মামুন, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. দেলওয়ার হোসেন, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. আব্দুল আলীম ইয়াছিনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অরুয়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. ইয়াকুব, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক মো. আব্দুর রকিব তুহিন, রাজশাহীর বাঘা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. কামাল হোসেন, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন, কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন এবং বরগুনার সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান রনি।
আরও পড়ুন
এছাড়া আরও কয়েকজন নেতার নামও উল্লেখ করা হয়েছে, যারা বিভিন্ন জেলায় বিএনপির বিভিন্ন পদ থেকে বহিষ্কার হয়েছিলেন। তবে, বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে বহিষ্কারের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তারা দলের অভ্যন্তরীণ কর্মকাণ্ডে পুনরায় অংশ নিতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘বহিষ্কৃত নেতাদের ফিরে আসা দলের সংগঠন শক্তিশালী করবে এবং দলের বিভিন্ন কার্যক্রমে তাদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
এই পদক্ষেপ দলের অভ্যন্তরীণ পুনর্গঠন ও সাংগঠনিক সুস্থিতি ফিরিয়ে আনার জন্য নেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির একটি সূত্র। বহিষ্কৃত নেতাদের ফিরে আসা দলের জন্য আশার সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতির পরিপ্রেক্ষিতে।
এএডি/