আওয়ামী লীগ শুধু বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দল ছিল না, তারা ঐতিহাসিকভাবে ভারতের একটা লেজুড়ভিত্তিক রাজনৈতিক দল ছিল। যার ফলে তারা ১৬ বছরে বাংলাদেশকে কার্যত ভারতের হাতেই তুলে দেওয়ার মতো একটা পরিস্থিতি তৈরি করেছিল।’ এমনটাই বলেছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শো অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে নুর বলেন, “বাংলাদেশে আমরা শক্তিশালী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি, যেটা প্রমাণ করবে আইনের কাছে সবাই জবাবদিহি করতে বাধ্য কিংবা আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। আমরা দেশে চলছি, আমাদের মধ্যেও একটা শঙ্কা কাজ করে। কয়েক দিন আগে বনশ্রীতে ব্যবসায়ীকে গুলি করে স্বর্ণ ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। মোহাম্মদপুরে যুবদলের নেতাকে গুলি করে মেরেছে। পুরান ঢাকায়ও গুলি করে চলে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “যে ফেসিবাদী শক্তিকে আমরা হটিয়েছি, পরাজিত করেছি ও জনগণ যাদের দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে, তারা নানাভাবে ফিরে আসার জন্য ছক আঁকছে।”
তিনি আরও বলেন, “২০১৮ সালে আমরা যখন কোটা সংস্কার আন্দোলন করেছিলাম, তখন জাহাঙ্গীর কবির নানক ও এনামুল হক শামীমকে সরকারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয় ছাত্রদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে এই বিষয়টা ডিল করার। সে জন্য আমরা সংসদ ভবনে বসেছিলাম। সেই সময় তারা গল্পের ছলে বলেছিলেন— ‘মিয়া আন্দোলন তো আমরা একসময় করেছি। ২০০৬ সালে বিএনপি-জামায়াতকে হঠানোর জন্য লগি-বৈঠার আন্দোলন। এখানে লোকজনকে পিকেটিং করানো, বোম মারানো, ককটেল মারানো যা করা দরকার, ভাঙচুর করে আবার ওইপারে চলে গেছি। বিএসএফ আমাদের সেই সুযোগ দিয়েছে।’ এখন যে দেশে বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটছে, চিহ্নিত অপরাধী, দাগী অপরাধী, অপরাধ ঘটানোর পরে তাদের সীমান্ত দিয়ে নিরাপদে পার করে দেবে এ ধরনের পরিস্থিতি হতে পারে।”
সময়ের আলো/এনএ