শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বৃষ্টির জন্য ওয়ানডে ম্যাচ নামিয়ে আনা হয় ২৭ ওভারে। ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ সবকটি উইকেট হারিয়ে ১২১ রান সংগ্রহ করে। জবাবে ১৭ ওভারেই ৮ উইকেটের বড় জয় নিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে পাকিস্তানের যুবারা। যদিও ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের শুরুটা ভালো হয়নি। শুরুতেই ওপেনার হামজা জোহর বিদায় নেন ইকবাল হোসেন ইমনের বলে।
পরে দ্বিতীয় উইকেটে ৮৫ রান যোগ করেন সামির মিনহাস ও উসমান খান জুনিয়র। তাদের জুটি ভাঙেন সামিউন বশির রাতুল। এরপর মিনহাস ও আহমেদ হুসাইনের ব্যাটে পাকিস্তান জয় তুলে নেয়। মিনহাস ৫৭ বলে ৬৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১১ রান করে তাকে দারুণ সঙ্গ দেন হুসাইন।
এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্রুতই আউট হয়েছেন জাওয়াদ আবরার ও রিফাত বেগ। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে রিফাতকে (১৪) ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন আলী রাজা। পরের ওভারে আউট হন জাওয়াদ (৯)। এরপর ২৬ বলে ২০ রান করে আউট হন বাংলাদেশের অধিনায়ক তামিম। একই ওভারের শেষ বলে ৮ রান করে আউট হয়েছেন কালাম সিদ্দিকি অলিনও।
এক ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ফের বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। সেখান থেকে আর রেহাই পায়নি টাইগার যুবারা। মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ৯ বলে ৫ এবং উইকেটকিপার ব্যাটার ফরিদ হাসান ফয়সাল করেছেন ৭ রান। শেষ দিকে রাতুলের ৩৭ বলে ৩৩ রানের ইনিংসে ১২১ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশের যুবারা। পাকিস্তানের হয়ে একাই ৪ উইকেট নিয়েছেন আব্দুল সুবহান। দুটি উইকেট পেয়েছেন হুজাইফা আহসান। এ হারের পর স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের যুবাদের। পাকিস্তানের কাছে এ হারের মধ্য দিয়ে এশিয়া কাপে টাইগারদের সমাপ্তি ঘটে।