ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিন অনুষ্ঠিত হবে গণভোটও। সে লক্ষ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জানানো হয়— সারা দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনে ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭২৩টি মনোনয়নপত্র অবৈধ।
মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রথম দিন আপিল করেছেন ৪৩ প্রার্থী।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এর মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে ৪১টি এবং মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে ১টি আপিল করা হয়েছে।
রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে স্থাপিত আপিল দায়ের কেন্দ্রে অঞ্চলভিত্তিক ১০টি বুথে এসব আপিল গ্রহণ করা হয়।
অঞ্চলভিত্তিক আপিলের সংখ্যা হলো— ঢাকা অঞ্চলের ১৫টি, ফরিদপুরের ৭টি, কুমিল্লার ৫টি, রাজশাহীর ৫টি, খুলনা অঞ্চলের ৩টি, রংপুর অঞ্চলের ৩টি, চট্টগ্রাম অঞ্চলের ২টি, ময়মনসিংহ অঞ্চলের ১টি, বরিশাল অঞ্চলের ১টি।
এর মধ্যে কুমিল্লা অঞ্চল থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে ১টি আপিল দায়ের করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের জারি করা নোটিশ অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের আদেশে সংক্ষুব্ধ কোনো প্রার্থী, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান মনোনয়ন বাছাইয়ের পরবর্তী পাঁচ দিনের মধ্যে ইসিতে আপিল করতে পারবেন।
এই আপিল দায়ের করা যাবে ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত। আপিল মেমোরেন্ডাম আকারে মূল কাগজপত্র এক সেট ও ছয় সেট ছায়ালিপিসহ জমা দিতে হবে।
নির্বাচন কমিশন বরাবর দায়ের করা আপিলগুলোর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেজমেন্ট-২) ফুল কমিশন এই শুনানি গ্রহণ করবেন।
শুনানি শেষে আপিলের ফলাফল মনিটরে প্রদর্শন করা হবে। পাশাপাশি রায়ের পিডিএফ কপি সংশ্লিষ্ট পক্ষের ই-মেইলে পাঠানো হবে এবং নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচন ভবন থেকেও রায়ের অনুলিপি বিতরণ করা হবে।
সময়ের আলো/এআর