ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে।
নতুন নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, কোনো উপজেলায় কর্মকর্তা সংকট থাকলে পার্শ্ববর্তী উপজেলা থেকে নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে একটি আসনের সব প্রিজাইডিং অফিসারকে ঢালাওভাবে অন্য আসনে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়।
ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্যানেল চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলায় যদি প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা না পাওয়া যায়, তবেই কেবল পার্শ্ববর্তী বা নিকটবর্তী উপজেলা থেকে কর্মকর্তা নিয়োগ করা যাবে বলে জানায় ইসি। তবে কমিশনের সিদ্ধান্ত-কোনো একটি বিশেষ আসনের সব প্রিজাইডিং অফিসারকে অন্য কোনো আসনে একযোগে নিয়োগ দেওয়া যাবে না।
ইসি জানিয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা ও অবস্থান বিবেচনা করে প্যানেল তৈরি করতে হবে। জনবল সংকটের যৌক্তিক কারণ থাকলেই কেবল আন্তঃউপজেলা নিয়োগ কার্যকর হবে। তবে প্রিজাইডিং অফিসারদের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখতে এক আসনের কর্মকর্তাদের অন্য আসনে গণহারে বদলি না করার বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে কমিশন।
এই অবস্থায়, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত মোতাবেক দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়েছে ইসি।
গত ২৯ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে পাঠানো একটি পত্রের (স্মারক নম্বর-৬৬) পরিপ্রেক্ষিতে এই স্পষ্টীকরণ দিল ইসি।
এছাড়া গত ১৫ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মূল নির্দেশিকা (স্মারক নম্বর-৩৯৮) জারি করা হয়েছিল। সেই নির্দেশনার আলোকেই বর্তমান সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
/ইউএমএইচ