ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, আমি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে আসলাম। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্বে আসার পর থেকে আমাদের সাবেক ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রী আসিফ মাহমুদ এবং আমাদের বাফুফের প্রেসিডেন্ট তাবিথ আউয়ালের নেতৃত্বে বাংলাদেশের ফুটবলে চমকপ্রদ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আসিফ নজরুল।
তিনি বলেন, আপনারা জানেন আমাদের যে মেয়েদের ফুটবল টিম তারা সাফে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ছেলেদের ফুটবল টিম বহু বছর পর ভারতকে হারিয়ে পুরা বাংলাদেশে আনন্দের বন্যা বইয়ে দিয়েছে। উনারা বয়স ভিত্তিক অনেক টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছেন, ইনফ্রাস্ট্রাকচার (infrastructure) ডেভেলপমেন্ট করেছেন, ট্যালেন্ট হান্টের মতো প্রোগ্রাম করেছেন। তো আজকে আমার কাছে উনাদের কিছু দাবি-দাওয়া ছিল।
আসিফ নজরুল বলেন, আমি খুব অল্প দিনের জন্য আছি, কিন্তু তারপরও আমার কাছে মনে হয়েছে কয়েকটা জিনিস আমরা উনাদের দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছি। এটা হচ্ছে ঢাকা স্টেডিয়াম যেটা আছে এটা সম্পূর্ণভাবে ফুটবলকে দিয়ে দেওয়া।
তবে অন্যান্য যারা স্পোর্টস আছে ক্রিকেট ছাড়া, তাদের আয়োজনের প্রয়োজন হলে সেখানে আয়োজন করবে। যদি তারা অন্য কোথাও, ফর এক্সাম্পল (for example) পূর্বাচল স্টেডিয়াম বা অন্য কোথাও জায়গা পেয়ে সরে যায় তখন এটা সম্পূর্ণ ফুটবলের হয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া সিলেট এবং চিটাগাং (চট্টগ্রাম), এটা ডেডিকেটেড ওয়েতে (dedicated way) ফুটবলকে দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। তবে শর্ত আছে, ক্রিকেট ছাড়া অন্যান্য খেলার যদি টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রয়োজন পড়ে উনারা সেখানে আয়োজন করতে দেবেন। আর হচ্ছে আমাদের কমলাপুরে যে স্টেডিয়ামটা আছে সেখানে শুধু মাঠের দায়িত্বভার ফুটবলকে দেওয়া হয়েছিল, এখন গ্যালারির দায়িত্বভারও দেওয়া হয়েছে। সেখানে যে ডরমিটরি আছে সেটাও রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনা করবে ফুটবল ফেডারেশন, কিন্তু ওখানে অ্যালোকেশন (allocation) দেবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মাধ্যমে।
এবার একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি, নিশ্চয়ই আপনারা ক্রিকেটের খবর জানার জন্য এখানে আসছেন। ক্রিকেটের ক্ষেত্রে আমাদের কোনো ডেভেলপমেন্ট নাই। আমরা দুইটা চিঠি দিয়েছি, চিঠি দেওয়ার পর আমরা আইসিসির যে উত্তর সেটার প্রত্যাশা করছি। এর মধ্যে একটা জিনিস ঘটেছে আপনাদের আমার জানানো প্রয়োজন।
সময়ের আলো/এআর