অবশেষে অপেক্ষার অবসান হচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল নির্ধারণে ফের আলোচনায় বসছে পে-কমিশন। ধারণা করা হচ্ছে, এই সভাতেই চূড়ান্ত হতে পারে বেতন কাঠামোর মূল রূপরেখা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পুরাতন ভবনের সভাকক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
এ বিষয়ে কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কেবল সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণই নয়, বরং গ্রেড সংখ্যা বিন্যাস, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা এবং অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধার মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে আগামীকাল ঐকমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন সদস্যরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য জানান, এবারের সুপারিশে শুধু সংখ্যার হিসাব নয়, বরং বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি, শিক্ষা ব্যয় এবং আবাসন সংকটের বাস্তব চিত্রকে প্রধান সূচক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এরই মধ্যে গত ৮ জানুয়ারির সভায় বেতনের অনুপাত ১ : ৮ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। কমিশন ১ : ৮, ১ : ১০ এবং ১ : ১২–এই তিন ধরনের অনুপাত নিয়ে পর্যালোচনার পর তুলনামূলক বৈষম্যহীন ১ : ৮ অনুপাতটি গ্রহণ করে।
সর্বনিম্ন বেতনের ক্ষেত্রে তিনটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব এখন টেবিলের ওপর রয়েছে- প্রথম প্রস্তাব: ২১,০০০ টাকা। দ্বিতীয় প্রস্তাব: ১৭,০০০ টাকা। তৃতীয় প্রস্তাব: ১৬,০০০ টাকা।
সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন এই পে-কমিশন গত বছর জুলাইয়ে গঠিত হয়। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে কমিশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা।
সময়ের আলো/এনএ