ঘটনাবহুল একটা দিন পার করল ক্রীড়াঙ্গন। বিপিএলের খেলা না হওয়ায় ঢাকার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বাইরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পরে সেনাসদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরের পর এ ঘটনা ঘটে।
বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের ডাক দেওয়ার কারণে মাঠে গড়ায়নি বিপিএলের কোন ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত নাজমুলের পদত্যাগের পর অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে বিপিএলের চলমান আসর। এমন দিনেই স্টেডিয়ামে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটল।
সূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টায় চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীর মধ্যকার ম্যাচটা মাঠে গড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু ক্রিকেটাররা ম্যাচ বয়কট করলে টসই হয়নি। এমনকি ক্রিকেটাররা মাঠেই যাননি। যার ফলে, স্টেডিয়ামের ভেতরে থাকা দর্শক ও স্টেডিয়ামের বাহিরে থাকা দর্শক-জনতার মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা যায়। তবে শুধু উত্তেজনার মধ্যেই বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকেনি।
একটা সময় স্টেডিয়ামের গেট ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে কিছু মানুষ। পরে স্টেডিয়ামের সামনে বিসিবির বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। বিপিএলের বিলবোর্ড, ব্যানার ছিড়া এবং স্টেডিয়ামের ভেতরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে। পরে সেনাবানিহীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এদিকে, যার বিপক্ষে ক্রিকেটাররা সোচ্চার, তাকে বোর্ড পরিচালক পদ থেকে অব্যাহতি না দিলেও তার বিপক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে বিসিবি। প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে শোকজ করা হয়েছে নাজমুল ইসলামকে। পাশাপাশি তাকে বিসিবির অর্থ কমিটি থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে এতেও সন্তুষ্ট নয় ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। বিসিবি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের দায়িত্বশীল এক কর্তার বরাতে জানা গেছে যে, ক্রিকেটাররা আরও একটি আল্টিমেটাম দিয়েছে। যদি নাজমুল ইস্যুতে বিপিএল সত্যিই বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে ক্রিকেটার, কোচ, সাপোর্টিং স্টাফসহ সংশ্লিষ্ট সবার পারিশ্রমিক বিসিবিকে দিতে হবে। যার পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা।
সময়ের আলো/এনএ