আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিন রোববার (১৮ জানুয়ারি)। পাশাপাশি এদিন দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীরা জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কি না, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এদিন নির্বাচন কমিশনে দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে শুনানির সময় ফেনী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও হাসনাত আবদুল্লাহর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। ইসি সূত্র বলেছে, অপেক্ষাধীন আবেদনগুলোর প্রায় সবই দ্বৈত নাগরিত্ব নিয়ে। দ্বৈত নাগরিকত্ব বিষয়ে আবেদনের এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। রোববার দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবে কমিশন।
এদিকে, গতকাল শনিবার ইসিতে আপিল শুনানির অষ্টম দিনে ৪৪ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এ নিয়ে আট দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন প্রায় ৪০০ জন প্রার্থী। তবে, এদিন কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি তার প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থিতা হারান। একইসঙ্গে হাসনাতের মনোনয়নের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির আবেদন খারিজ করে দিয়েছে ইসি।
এ প্রসঙ্গে ইসি জানায়, গতকাল ১১২টি আবেদনের শুনানি হয়। এর মধ্যে ৩৭টি নামঞ্জুর হয়েছে। ৪৫টি মঞ্জুর হয়েছে। অপেক্ষাধীন আছে ১৯টি। নয়টি আবেদন প্রত্যাহারের কারণে উত্থাপিত হয়নি। দুটি আপিলের আবেদনকারী অনুপস্থিত ছিলেন। রোববার সকাল ১০টা থেকে আপিল শুনানির কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে মোট ৬৪৫টি আপিল ইসিতে জমা পড়েছিল।
গতকাল শনিবার শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, রোববার দুপুর ১২টা থেকে সব পেন্ডিং আবেদনের শুনানি শুরু হবে।
৭ প্রার্থীর বিরুদ্ধে বাদশা মিয়ার আপিল
সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-২ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তা সব মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। তাদের মধ্যে সিপিবিসহ সাতজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে ইসিতে একাই আপিল করেছেন বিএনএফ প্রার্থী বাদশা মিয়া। গতকাল শনিবার শুনানি শেষে ইসি সাত প্রার্থীর মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা করেছে।
সময়ের আলো/এনএ