রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প নির্মাণকাজ সব আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন মেনে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারির শেষ নাগাদ প্রকল্পটির ইউনিট-১ এ ফুয়েল লোডিং করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট রোসাটমের প্রকৌশলীরা। এর পরের মাস মার্চে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ গত শুক্রবার পাবনার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন। এ সময় রোসাটমের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা এই তথ্য জানান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হিসেবে জাতীয় বিদ্যুৎখাতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রোসাটমের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, মার্চ ২০২৬ এর শেষ দিকে ইউনিট-১ হতে প্রায় ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে প্রকল্পটির মাধ্যমে ১২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিট-১ হতে কার্যকরভাবে প্রায় ১,১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
প্রকল্প পরিদর্শনকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ, অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব জনাব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প পরিচালক এসময় উপস্থিত ছিলেন।
সময়ের আলো/এসকে/