ঢাকা-৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, প্রতিপক্ষ ক্ষমতায় গেলে নারীদের গৃহবন্দী করা হবে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানী গেন্ডারিয়া ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ কর্মসূচির সূচনা অনুষ্ঠানে এ আশঙ্কার কথা জানান তিনি।
ইশরাক বলেন, বিশেষ করে নারী সমাজের উদ্দেশ্যে বলছি কষ্ট হলেও লাইনে দাঁড়িয়ে হলেও ভোট দিতে যাবেন। ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাদের জয়যুক্ত করুন। কারণ যদি কোনো কারণে আমাদের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল ভুল করেও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে যায়, তাহলে তারা নারীদের গৃহবন্দী করে ফেলবে, নারীদের স্বাধীনতা হরণ করে ফেলবে, তাদের ঘরের ভেতরে আটকে রাখা হবে, তাদের কোনো কর্মসংস্থান থাকবে না, তারা নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারবে না এবং তাদের ব্যক্তিস্বাধীনতা হরণ করা হবে। আসলে তারা আমাদের সবারই স্বাধীনতা হরণ করবে, আর নারীদের ক্ষেত্রে তা আরও বেশি হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ নিয়ে কী পরিকল্পনা করেছে, আমরা জানি না। বর্তমানে নগরীর যে অবস্থা রাস্তাঘাট ভাঙাচোরা, চারদিকে নোংরা ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে রয়েছে। জলাশয়গুলো দখল হয়ে গেছে। আমাদের রাস্তা ও ফুটপাত দখল হয়ে গেছে। যানবাহন চলাচল করতে পারে না, মানুষজন ঠিকমতো হাঁটাচলাও করতে পারে না। কিছুদিন পর আমরা বর্ষা মৌসুমে প্রবেশ করবো। তার আগে আমাদের যে পরিমাণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে, তা পর্যাপ্ত নয়। কিন্তু যতটুকু আছে, সেগুলো সচল করার জন্যও কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। যারা রাষ্ট্র পরিচালনায় আসতে চায়, সেই প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল নগরবাসীর কাছে এ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছে না। তাদের একটাই ভাঙা রেকর্ড চাঁদাবাজ, চাঁদাবাজ, চাঁদাবাজ।
চাঁদাবাজি যদি হয়ে থাকে, সেটি নিয়ন্ত্রণ করা ও রোধ করা সরকারের দায়িত্ব মন্তব্য করে তিনি বলেন, বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে নেই, বরং আমাদের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোকেই সরকারি দল হিসেবে বিবেচনা করে অনেকে। যদি কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা চাঁদাবাজি হয়ে থাকে, তাহলে তাদের সংশ্লিষ্টতা থাকার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি।
তিনি বলেন, বিএনপি একটি উদারপন্থি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, যেখানে ধর্ম-বর্ণ-পাহাড়ি-সমতল নির্বিশেষে সবাই সমান নাগরিক অধিকার ভোগ করবে। প্রত্যেক পাঁচ বছর পর পর সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেবে, এটাই বিএনপির বিশ্বাস।
যাদের বক্তব্য দুর্বল, তারাই অশালীন ভাষা ব্যবহার করে। আমরা এসবকে গুরুত্ব দিচ্ছি না। জনগণই ১২ ফেব্রুয়ারি তার জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
/ইউএমএইচ