সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, প্রতিবছর ধারাবাহিকভাবে ডিএনএ পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরীকে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ল্যাবে রূপান্তর করা জরুরি। একই সঙ্গে দেশের সকল বিভাগীয় ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরীকে দ্রুত স্বয়ংসম্পূর্ণ ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবে উন্নীত করতে হবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সভাকক্ষে নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরী উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শারমীন এস মুরশিদ বলেন, ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরীর যন্ত্রপাতি ১৫ বছরেরও বেশি পুরোনো হওয়ায় এর কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। নমুনা বিশ্লেষণের গুণগত মান, বিশুদ্ধতা ও নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত মেশিন ভ্যালিডেশন, ল্যাব কার্যক্রমের নিয়মিত অডিট এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী এসওপি প্রণয়ন করা আবশ্যক। এ লক্ষ্যে প্রতি বছর ইন্টারনাল অডিট এবং দুই বছর অন্তর এক্সটার্নাল অডিট নিশ্চিত করার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ অডিট ম্যানুয়েল প্রণয়ন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশের সকল ফরেনসিক ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়ের ডিএনএ ল্যাবরেটরী ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের আওতায় একটি সমন্বিত ডাটাবেজে সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে মামলার তথ্য ব্যবস্থাপনা ও বিচারিক প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ ও সেবা কার্যক্রম জোরদার করার লক্ষ্যে ২০০৬ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক মানের ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরী প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে এ সেবা দেশব্যাপী বিস্তৃত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ—এই আটটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরী স্থাপন করা হয়েছে।’
সময়ের আলো/কেএইচও