ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি না হলে আইসিসির ক্ষতির অঙ্ক ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি হতে পারে। এমন বড় আর্থিক বিপর্যয় এড়াতে পিসিবির সঙ্গে নিয়মিত চিঠি চালাচালি ও সরাসরি আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
রোববার বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামকে নিয়ে আইসিসির সঙ্গে বৈঠক করেছে পাকিস্তান। বৈঠকের পর যদিও গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি নাকভি। তবে একদিন পর তিনি জানিয়েছেন বাংলাদেশের পাশে থাকতেই তারা ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এমনকি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। নাকভি বাংলাদেশকে ভাই বলে সম্বোধনও করেছেন।
নাকভি বলেন, বিষয়টি মূলত আইসিসি ও বাংলাদেশের মধ্যকার ছিল। বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গিকে আমরা উপেক্ষা করতে পারতাম না-তারা আমাদের ভাই। বিষয়টি এখনো চলমান। আইসিসি ও বাংলাদেশ বোর্ড এই মুহূর্তে এমন একটি পর্যায়ে রয়েছে, যেখানে এর বেশি কিছু বলা সমীচীন হবে না। তাই আমিও তাদের কাছ থেকে পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষায় আছি। তথ্য এলে আমরা আপনাদের জানাব।
এই প্রেক্ষাপটে গতকাল লাহোরে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠক করেছেন আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা। বৈঠকের পর গুঞ্জন জোরালো হয়েছে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে পারে পাকিস্তান।
ধারণা করা হচ্ছে খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। পাকিস্তান সিদ্ধান্ত না বদলালে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে পারে আইসিসি। তবে এসব হুমকি ধামকি তোয়াক্কা করছে না পিসিবি।
নাকভি আরও যোগ করেন, আমি কোনো হুমকিকে ভয় পাই না-সরকারকেও না। আর ফিল্ড মার্শালের বিষয়টি তো আপনারা জানেনই, সে কারণেই এখানে কোনো সমস্যা নেই। এখন দেখা যাক কী হয়। খুব শিগগিরই আপনারা বিষয়টি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাবেন।
সময়ের আলো/এআর