হেরে গিয়ে রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্মানের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সারজিস আলম। পঞ্চগড়-১ আসনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। তবে ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গিয়ে তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী নওশাদ জমিরকে অভিনন্দন জানান।
অভিনন্দন জানিয়ে সারজিস আলম বলেন, আমরা পঞ্চগড়-১ আসনে একসঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। জনগণ যদি একজন প্রার্থীকে এক ভোটেও এগিয়ে রাখে, তাহলে তাকে সম্মান জানানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সেই জায়গা থেকেই আমি নিজে এসে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি এবং এই আনন্দের মুহূর্তে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।
এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যেও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ লক্ষ্য করা গেছে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকা জরুরি। আগামী পাঁচ বছরে পঞ্চগড়-১ আসনের উন্নয়নে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ভালো কোনো উদ্যোগ নিলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।
যৌক্তিক যেকোনো বিষয়ে তার দল ও নেতাকর্মীরাও সহযোগিতা পাবেন বলে একইসঙ্গে আশা প্রকাশ করে সারজিস আলম বলেন, দিনশেষে আমাদের লক্ষ্য একটাই-পঞ্চগড়কে এগিয়ে নেওয়া। পঞ্চগড় একটি পিছিয়ে থাকা জেলা। রাজনৈতিক সম্পর্কের জায়গাটি আরও সুন্দর হলে জেলার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
তিনি পঞ্চগড়-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন আজাদকেও অভিনন্দন জানান।
এর পাশাপাশি নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বাদ দিলে একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি ধন্যবাদ জানাই। ইনশাআল্লাহ পঞ্চগড় ও দেশের প্রয়োজনে আবারও আমরা একসঙ্গে কাজ করব বলে জানান তিনি।
/ইউএমএইচ