বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেতে পারে- এমনই ইঙ্গিত মিলেছে সাম্প্রতিক এক উচ্চপর্যায়ের ফোনালাপ থেকে। তারেক রহমানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন শাহবাজ শরিফ। আলোচনায় পারস্পরিক সফর বিনিময়ের আমন্ত্রণসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বার্তা উঠে আসে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে অনুষ্ঠিত এই কথোপকথনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে পাকিস্তান সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় দেশটির জনগণকে অভিনন্দন জানান। তার ভাষায়, এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
ফোনালাপে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। শাহবাজ শরিফ উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক কেবল কূটনৈতিক নয়, বরং ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধনে আবদ্ধ। পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে বিশেষ করে বাণিজ্য, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
আরও পড়ুন
আলোচনায় উঠে আসে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের প্রসঙ্গও। দুই নেতা তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ক উন্নয়নে তার ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
জবাবে তারেক রহমানও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণকে স্বাগত জানান এবং সুবিধাজনক সময়ে সফরের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি শাহবাজ শরিফকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।
উভয় নেতা ভবিষ্যতে দুই দেশের জনগণের কল্যাণে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত হন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ফোনালাপ দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক কূটনীতিতে নতুন এক গতিশীলতার ইঙ্গিত বহন করতে পারে।
এএডি/