সাধারণের জীবনঘনিষ্ঠ ইস্যুতে জোর বিএনপির

এসএম আলমগীর

রাজনীতি

বিগত নির্বাচনের আগে প্রচারে বিএনপির পক্ষ থেকে অনেকগুলো প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছিল। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, ৫০ কোটি

2026-02-24T00:36:55+00:00
2026-02-24T00:36:55+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
রাজনীতি
সাধারণের জীবনঘনিষ্ঠ ইস্যুতে জোর বিএনপির
এসএম আলমগীর
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৩৬ এএম 
ফাইল ছবি
বিগত নির্বাচনের আগে প্রচারে বিএনপির পক্ষ থেকে অনেকগুলো প্রতিশ্রুতির কথা বলা হয়েছিল। বিশেষ করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, ৫০ কোটি গাছ রোপণ, কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফ করা, দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার মতো অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে এবং এগুলো নির্বাচনি ইশতেহারেও উল্লেখ করা হয়েছে। 

যদিও প্রতিপক্ষ দলগুলোর পক্ষ থেকে বলা হতো ‘বিএনপি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কথা বলে দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করছে, তারা এসব কার্ড দিতে পারবে না’। অথচ রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে বিএনপি সরকার সবার আগে এই ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কাজেই হাত দিয়েছে। একইভাবে দেশের সাধারণ মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ অন্যান্য নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে নতুন সরকার। 

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ‘দেশের রাজনৈতিক দলগুলো জাতীয় নির্বাচনের আগে ভোট নেওয়ার জন্য দেশের মানুষের সামনে সুন্দর সুন্দর প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। পরে ক্ষমতায় গিয়ে সেসব প্রতিশ্রুতির কথা অনেক ক্ষেত্রেই বেমালুম ভুলে যান রাজনৈতিক দলের নেতারা। তবে এবার তার ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। বিএনপির এই নতুন সরকার ভোটের আগে নির্বাচনি ইশতেহারে প্রধান যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সেগুলো শুরুতেই বাস্তবায়নে হাত দিয়েছে এটা ভালো লক্ষণ।’

এ মন্তব্য করে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব উল্লাহ সময়ের আলোকে আরও বলেন, ‘আমি বলব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এবারের বিএনপি সরকারের পথচলা দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণের দিকটিকে প্রাধান্য দিয়ে শুরু হয়েছে। এটা নিঃসন্দেহে ভালো দিক। কারণ নির্বাচনের আগে তারেক রহমান যখন ফ্যামিলি কার্ডের কথা প্রচার করতেন তখন বিরোধী পক্ষগুলোকে বলতে শুনেছি পলাতক হাসিনা সরকার যেভাবে ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েও সেটি রক্ষা করেনি, বিএনপিও তেমন ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রক্ষা করবে না।’ কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখছি উল্টো। 

তারেক রহমানের সরকার সবার আগে তার নির্বাচনি ইশতেহারের অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার বিষয়েই কাজ শুরু করেছেন। তিনি দেশের মানুষকে কথা দিয়ে কথা রেখেছেন। আমি আশা করব, শেষ পর্যন্ত বিএনপি সরকার যেভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেভাবে সম্পূর্ণ সফলতার সঙ্গে এই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য ধর্মগুরুদের উৎসব ভাতা প্রদানের মাধ্যমে একদিকে যেমন নিজেদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হবে, তেমনি এর মাধ্যমে দেশের সামাজিক সুরক্ষা বলয়কে আরও মজবুত করা যাবে। এসব উদ্যোগ অবশ্যই দেশের দারিদ্র্যের হার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে প্রকৃত উপকারভোগীরা যেন এসব সুবিধা ঠিকমতো পায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে।’

সবার আগে ফ্যামিলি কার্ড প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ঠিক দ্বিতীয় দিনই গত ১৯ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বৈঠক করেন তারেক রহমান। ফ্যামিলি কার্ড চালুর লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করতেই মূলত সচিবালয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। 

ওই নির্দেশনার আলোকে সিদ্ধান্ত হয় প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১৩ উপজেলায় চালু করা হবে ফ্যামিলি কার্ড। আগামী ১০ মার্চ এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। গত ২২ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড-সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালানোর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে সহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে।

উপকারভোগী নির্বাচন জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্যের মাধ্যমে করা হলেও, আর্থিক তথ্য না থাকায় নির্বাচিত ওয়ার্ডে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে সুবিধাভোগী চূড়ান্ত করা হবে। পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অর্থ বিভাগের সচিব বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, টিসিবি কার্ড এবং ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট কর্মসূচি একত্রিত করা যেতে পারে। উপকারভোগী নির্বাচনে এনআইডি নম্বর, জন্মতারিখ ও মোবাইল নম্বর বাধ্যতামূলক হবে। এ ছাড়া দ্বৈত সুবিধা রোধে অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা সিস্টেমের সঙ্গে আন্তঃসংযোগ থাকবে।

প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ হবে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জে।

ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাভোগীরা পণ্যের পরিবর্তে নগদ টাকা পাবেন। প্রতি মাসে কমপক্ষে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাবেন প্রতি উপকারভোগী। অবশ্য নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিতে বলা হয়েছে পরিবারের কর্ত্রী বা গৃহকর্ত্রী সরাসরি ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধাভোগী হবেন। একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড চালু হলেও বাজেটে বিদ্যমান সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর অন্যান্য ভাতাগুলো আগের মতোই বহাল থাকবে এবং নতুন এই সুবিধার কারণে কেউ পুরোনো ভাতা থেকে বঞ্চিত হবেন না।

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা

সরকারের জনবান্ধব প্রতিশ্রুতির মধ্যে ফ্যামিলি কার্ডের পরই ইমাম-মুয়াজ্জিনও বিভিন্ন ধর্মগুরুদের মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা প্রদানের কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত শনিবার তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রথমবারের মতো বৈঠক করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সিদ্ধান্ত নেন। বৈঠক শেষে সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

মাহদী আমিন জানান, জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব এবং অন্যান্য ধর্মের গুরুদের মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতা প্রদানের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই বাস্তবায়ন করা হবে।

সম্মানী ও ভাতার পরিমাণ কত হবে এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘মাসিক সম্মানী ও উৎসব ভাতার অঙ্ক এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও সচিবদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। পরবর্তীতে আরেকটি সভার মাধ্যমে ভাতার পরিমাণ চূড়ান্ত করা হবে।’

উল্লেখ্য, ধর্মীয় প্রতিনিধিদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে এবং নির্বাচনি ইশতেহারের ঘোষণা অনুযায়ী বর্তমান সরকার এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এই উদ্যোগের ফলে সারা দেশের লক্ষাধিক ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় গুরু সরাসরি উপকৃত হবেন।

শিগগিরই শুরু হচ্ছে কৃষক কার্ড বিতরণ 

সরকার নির্বাচনি আরেক প্রতিশ্রুতি কৃষি কার্ড চালুর কার্যক্রমও শুরু করে দিয়েছে। গতকাল সোমবারই সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে ফ্যামিলি কার্ডের মতো শিগিগিরই কৃষি কার্ড বিতরণ শুরু হবে বলে জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, ‘মূলত আমাদের কৃষকদের একটা স্মার্ট কার্ড দেওয়া এবং স্মার্ট কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আমরা আলাপ করছি। নীতিগতভাবে এটা আমাদের বহু আগের সিদ্ধান্ত। ইনশাআল্লাহ, যত দ্রুত সম্ভব আমরা ফ্যামিলি কার্ডের মতোই কৃষক কার্ডের পাইলট প্রজেক্ট শুরু করতে যাচ্ছি।

ঈদের আগে কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হবে কি না এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ‘সময়টা এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না। কারণ সময়ের সঙ্গে তো প্রস্তুতির অনেক বিষয় জড়িত। তবে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ এবং তার পরামর্শ হচ্ছে যত দ্রুত সম্ভব এটা করা যায়।

কৃষকরা এই কার্ডে যেসব উপকার পাবেন, সেসব উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘এই কার্ডটা পেলে একজন কৃষকের উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন। যেমন ধরেন, তার জন্য কৃষি জ্ঞান, কৃষি যন্ত্রপাতি সহজলভ্য করা। তাকে সার, কীটনাশক, বীজ, সব কৃষি উপকরণ- যেকোনো ধরনের সহযোগিতা তাকে করা। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এই কার্ডের মাধ্যমে খুব একটা স্মার্ট পদ্ধতিতে বাজারের পরিস্থিতি, উৎপাদনের পরিস্থিতি, আবহাওয়ার পরিস্থিতি সবটাই কিন্তু তখন একটা ধারণার মধ্যে আসবে। যে ধারণার ওপরে ভর করে আমরা একটা সঠিক পরিকল্পনা করতে পারব।’

কী ছিল বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনে রাষ্ট্র চালানোর অঙ্গীকারে বিএনপি যে ইশতেহার দেয় তাতে নয়টি প্রতিশ্রুতিসহ একগুচ্ছ পরিকল্পনা তুলে ধরে। এর মধ্যে বিএনপি মূলত বিগত সময়ে তাদের ঘোষিত ৩১ দফার বিষয়গুলো যেমন আছে, তেমনি আরও অনেক নতুন অনেক প্রতিশ্রুতি।
বিএনপির ইশতেহারে যে নয়টি প্রধান প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো হলো প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অর্থ সেবার এই পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।

কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষিবীমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে। মৎস্যচাষি, পশুপালনকারী খামারি ও কৃষি খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই সুবিধা পাবেন।

দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে। জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবাসহ রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাস্তব দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সহায়তা ও ‘মিড-ডে মিল’ চালু করা হবে।

তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্তকরণসহ মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন, আইটি খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থার সৃষ্টি করাসহ আরও জনবান্ধব অনেক প্রতিশ্রুতি রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এগুলোও বাস্তবায়ন করা হবে বলে প্রত্যাশা বিশ্লেষকদের।



  বিষয়:   বিএনপি  ইশতেহার  বাস্তবায়ন 


Loading...
Loading...
রাজনীতি- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: