স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দফতরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী এতে উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে তারা বাংলাদেশ চীন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন অংশীদারিত্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। উভয় পক্ষ দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে।
সভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদন, সিটি কর্পোরেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আমিন বাজার পানি শোধনাগার সচল করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। স্থানীয় সরকারের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশে চীনের বিভিন্ন প্রকল্প চলমান আছে। তাদের সঙ্গে সহযোগিতা কীভাবে আরও বাড়ানো যায় সে চেষ্টা চলছে। স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন খাতে চীন কীভাবে আরও বেশি সহযোগিতা দিতে পারে সে বিষয়টি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতায় চীনের সহযোগিতায় ইতোমধ্যে একাধিক প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পে সহযোগিতা আরও কীভাবে সম্প্রসারণ করা যায়, সে চেষ্টা চলছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদীর সমস্যার সমাধান চেয়ে আসছে। চীন তিস্তা প্রকল্পে নিজ উদ্যোগে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে, এ বিষয়ে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত হলে তখন বিস্তারিত জানানো যাবে।’
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘চীন বাংলাদেশের বড় উন্নয়ন সহযোগী এবং ভবিষ্যতেও এই সম্পর্ক আরও গভীর হবে।’
সময়ের আলো/এনএ