ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকারের বক্তব্যের পর শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আজকের এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের সংসদ। দেশের মানুষ এই সংসদের প্রতি প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে তিনি বলেন, আজ থেকে আপনারা কোনো দলের নন, আপনারা এই মহান জাতীয় সংসদের অভিভাবক। গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে উপেক্ষা করে সংসদকে অধিকার লঙ্ঘনকারীদের ক্লাবে পরিণত করা হয়েছিল। কিন্তু আজকের সংসদ সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংসদ।
প্রধানমন্ত্রী সংসদের মর্যাদা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, বিগত দেড় দশকে যারা নিজেদের এমপি পরিচয় দিয়েছিলেন, তারা কেউ জনগণের ভোটে নির্বাচিত ছিলেন না। আজ স্বাধীনতা প্রিয় ও গণতন্ত্রকামী মানুষ এই সংসদের দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে। দেশের স্বার্থে আমরা সংসদকে অর্থবহ করতে চাই।
তিনি সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রাণবন্ত করার জন্য সরকারি ও বিরোধী দলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমরা বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা চাই না, বরং যুক্তিসঙ্গত ও গঠনমূলক তর্কের মাধ্যমে সংসদকে কার্যকর করতে চাই। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের ভূমিকা এতে সর্বাধিক এবং আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত।
স্পিকারের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, আজ থেকে সংসদের প্রতিটি সদস্য আপনার চোখে সমান। জনগণের হারানো অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে এই সংসদকে একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।