জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল থেকে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের ৪১৩ নম্বর কক্ষে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। নিহত কনিস্ক মাঝি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৫০ তম ব্যাচের ছাত্র। তার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলায়। পুলিশ জানায়, মৃত্যুর ঘটনা প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা আগে ঘটেছে।
সহপাঠী ও হল সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ছুটিতে ৪১৩ নম্বর কক্ষের অন্য শিক্ষার্থীরা বাড়িতে অবস্থান করায় ওই কক্ষে একাই ছিলেন কনিষ্ক। দুপুর ২টার দিকে কনিষ্কের কক্ষের দরজায় নক করেন সামনের কক্ষের এক শিক্ষার্থী। অনেকক্ষণ পেরিয়ে গেলেও সাড়া না পেয়ে ওই শিক্ষার্থী আরও একজনকে ডেকে আনেন। তখন দুইজন একত্রে নক করলেও ভেতর থেকে সাড়া না আসায় জানালার গ্লাস ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা।
শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের প্রভোস্ট নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দুপুরে কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এ খবর পাই। পরে আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে ৪১৩ নম্বর কক্ষে গিয়ে অরূপ রতনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই।’
তিনি বলেন, ‘দুপুরে কয়েকজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এ খবর পাই। পরে আনুমানিক ২টা ১০ মিনিটে ৪১৩ নম্বর কক্ষে গিয়ে অরূপ রতনকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। পুলিশের উপস্থিতিতে মরদেহ উদ্ধারের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে। তবে এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।’
আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা এটিকে আত্মহত্যার ঘটনা বলে সন্দেহ করছি। তবে ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।’
সময়ের আলো/কেএইচও