নির্বাচনের তফসিল এপ্রিলে

সাব্বির আহমেদ

জাতীয়

এপ্রিল মাসেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ নিয়ে যাবতীয় প্রস্তুতি

2026-03-26T01:55:29+00:00
2026-03-26T18:15:08+00:00
 
  রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬,
৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
জাতীয়
সংরক্ষিত নারী আসন
নির্বাচনের তফসিল এপ্রিলে
সাব্বির আহমেদ
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৫ এএম  আপডেট: ২৬.০৩.২০২৬ ৬:১৫ পিএম
সংগৃহীত ছবি
এপ্রিল মাসেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) এ নিয়ে যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের মনোনীত নারীদের তালিকা প্রস্তুত করছে, যা শিগগিরই ইসিতে পাঠানো হবে। 

এরপর নির্বাচন কমিশন ৯০ দিনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা মাথায় রেখে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। বিশেষ করে সংরক্ষিত কোটায় সংসদে যেতে সম্ভাব্য নারী প্রার্থীরা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। এমপি, মন্ত্রী ও উপদেষ্টারাও চেষ্টা করছেন সংরক্ষিত কোটায় তাদের স্ত্রী, মেয়ে কিংবা নিকটাত্মীয়কে সংসদে পাঠাতে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার আগেই সংসদ সচিবালয় থেকে ২৯৭ জন সংসদ সদস্যের তালিকা ইসিতে পাঠানো হয়েছে। সংসদ নির্বাচনে কোন দল কতটি আসন পেয়েছে, জোট রয়েছে কি না, সংশ্লিষ্ট দলগুলোকে ইতিমধ্যে এসব তথ্য পাঠিয়েছে ইসি। সে অনুযায়ী ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। এরপর তফসিল ঘোষণা করা হবে। ইসি সূত্র জানিয়েছে, ঈদুল ফিতরের ছুটির পর মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের বৈঠক হয়েছে। 

তবে সেখানে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়সহ কমিশনের বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আলোচনা হয়নি। দুয়েক দিনের মধ্যে কমিশন বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তবে কমিশন আগামী মাসে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি নিয়েছে।

এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন ঘিরে বিশেষ করে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বেড়েছে। সরকার গঠনের পর এখন সবার নজর এই আসনগুলোর দিকে। মনোনয়ন পাওয়ার আশায় বিএনপির নেত্রীরা লবিং-তদবিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে কেউ যাচ্ছেন দলের গুলশান কার্যালয়ে, কেউ বা শীর্ষ নেতাদের বাসায়। আবার অনেকে সচিবালয়ে গিয়ে মন্ত্রীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করছেন। বিএনপি ছাড়াও দলটির শুভাকাক্সক্ষী বলে পরিচিত বিভিন্ন পেশাজীবী নারীরাও জীবনবৃত্তান্ত পাঠাচ্ছেন এবং বিভিন্ন জায়গায় তদবির করছেন।

মনোনয়নপ্রত্যাশী নারীরা বলছেন, রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা ও দলের জন্য ত্যাগের মূল্যায়ন হওয়া উচিত। তারা দলের সুদিনে দুর্দিনের চিত্রগুলোও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। সম্ভাব্য নারীপ্রার্থীরা বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে দেখা করছেন। দলীয় হাইকমান্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে প্রতিদিনই গুলশানে চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নেত্রীদের উপস্থিতি বাড়ছে। বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির কয়েকজন নারীও সংসদে যাওয়ার আলোচনায় আছেন।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি নারী আসন সংরক্ষিত রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, যে দল সাধারণ আসনে যতটি আসন পায়, সেই অনুপাতে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। নিয়মানুযায়ী প্রতি ৬টি আসনের বিপরীতে একটি সংরক্ষিত আসন পাওয়া যায়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয় পেয়েছে। সে হিসাবে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৩৫টি পাবে দলটি। এ ছাড়া স্বতন্ত্র (বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত) প্রার্থীরা সাতটি আসন পেয়েছেন। ফলে স্বতন্ত্ররাও সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারেন। সাধারণ নির্বাচনের ফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

বিএনপির আলোচনায় যারা : আলোচনায় রয়েছেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী শিরিন সুলতানা, মহিলা দলের বর্তমান সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেত্রী শাম্মী আক্তার, সাবেক এমপি নিলোফার চৌধুরী মনি, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, রাশেদা বেগম হীরা, রেহেনা আক্তার রানু, ইয়াসমিন আরা হক, জাহান পান্না, বিলকিস ইসলাম, সাবেক কাউন্সিলর ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, ফরিদা ইয়াসমিন এবং বদরুন্নেসা সরকারি কলেজের ছাত্রদল থেকে প্রথম নির্বাচিত ভিপি ও পাবনা সাথিয়া উপজেলা বিএনপি আহবায়ক খায়রুন নাহার। 

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পরাজিত ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা, সাবিরা সুলতানা ও সানজিদা ইসলাম তুলিও আলোচনায় আছেন। কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, রিজিয়া পারভীন ও কনকচাঁপা, সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্র, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিমউদ্দিন মওদুদ, প্রয়াত মহাসচিব আবদুস সালাম তালুকদারের মেয়ে ব্যারিস্টার সালিমা বেগম অরুনি, ড. আব্দুল মঈন খানের মেয়ে মাহরীন খান।

এছাড়া কাজী রেহা কবির সিগমা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৪ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। তিনি বিএনপি থেকে সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে চান। বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর মেয়ে সামিরা তানজিনা চৌধুরীর নামও আলোচনায় রয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সহধর্মিণী রুমানা আহমেদ, সাবেক মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পুত্রবধূ খাদিজাতুল কোবরা সুমাইয়া, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, বিএনপি নেত্রী অপর্ণা রায়, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মরহুম শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হুসাইনও মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে আছেন।

এ ছাড়া সাবেক ছাত্রদল নেত্রী অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, মহিলা দল নেত্রী শাহানা আক্তার সানু, অ্যাডভোকেট শাহিনুর বেগম সাগর, মহিলা দলের সহ-স্বনির্ভরবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসমা আজিজ, নেওয়াজ হালিমা আরলী, রাবেয়া আলম, কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক শাহিনুর নার্গিস, ময়মনসিংহ জেলা মহিলা দলের সভাপতি তানজিন চৌধুরী লিলি, ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা ঊর্মি, বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরিন মুন্নি, ফাহসিনা হক লিরা, সুলতানা জেসমিন (জুঁই), নাসিমা আক্তার (কেয়া), শামসুন্নাহার ভূঁইয়া, সেলিনা সুলতানা নিশিতা, রেহানা আক্তার শিরিন, রোকেয়া চৌধুরী, রোখসানা খানম, আয়েশা সিদ্দিকা, সাবিনা ইয়াসমিন, তাহমিনা জামান শ্রাবণী, শামীম আরা বেগম, মাহবুবা রহমান শিখা ও নাসিমা আক্তার কল্পনার নামও আলোচনায় রয়েছে।

আরও আছেন- সাবেক ভিপি অধ্যাপক নাজমা সুলতানা ঝংকার, ফাতেমা বাদশা, মনোয়ারা বেগম মনি, জেলী চৌধুরী, মেহেরুন নেছা নার্গিস, জান্নাতুল নাঈম রিকু, জেসমিনা খানম, নাজমা সাঈদ, সুলতানা পারভীন ও দেওয়ান মাহমুদা আক্তার (লিটা)।

জামায়াত ও এনসিপির নারীরাও আলোচনায় : প্রকাশ্যে দৌড়ঝাঁপ বা লবিং না থাকলেও সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি পদের জন্য প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতেও দুই ডজনের বেশি নারী নেত্রী আলোচনায় রয়েছেন। এদের মধ্যে কেউ চিকিৎসক, অধ্যাপক, প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

এর মধ্যে রয়েছেন- কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি ডা. আমিনা বেগম রহমান, সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য শাহান আরা বেগম।

এ বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, আমরা জাতীয় নির্বাচনে নারীদের মনোনয়ন দিতে না পারলেও সংরক্ষিত আসনে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নারী আসনে আমাদের প্রার্থী বাছাই চলমান। যোগ্যরাই সংসদে যাবেন।

এনসিপিতে চার নেত্রীকে ঘিরে আলোচনা : নির্বাচনে ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে এনসিপি। তবে জোটের বড় দল জামায়াতের পক্ষ থেকে তাদের আরও একটি আসন ছাড় দেওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। সে হিসেবে দলটির ভাগ্যে দুটি আসন মিলতে পারে। দলের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকজন নেত্রী সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে পারেন বলে আলোচনায় রয়েছেন। এর মধ্যে শীর্ষে আছেন- দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও যুগ্ম সদস্য সচিব মনিরা শারমিন, ঢাকা-১৯ আসনে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দিলাশানা পারুল, ঢাকা-২০ আসনে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নাবিলা তাসনিদ এবং যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু। এ ছাড়া আরও কমপক্ষে পাঁচজন নেত্রী আলোচনায় রয়েছেন।

যা বলছে নির্বাচন কমিশন : এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, মঙ্গলবার আমাদের কমিশনের সভা হয়েছে। তবে সেটি পূর্ণাঙ্গ কমিশন সভা হয়নি। এ জন্য এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। এখনও ঈদের আমেজ কাটেনি। হয়তো রোববার সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন শিগগিরই আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, খুব বেশি সময় নেব না, আগামী মাসেই তফসিল ঘোষণা করা হবে।

কোন দল কতটি নারী আসন পেতে পারে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি। ফলে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে সংসদে কমপক্ষে ছয়টি আসন থাকতে হবে। দলগুলো জোটবদ্ধ হয়েও নারী আসন পেতে পারে। চাইলে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরাও জোট গঠন করতে পারেন।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মূল কাজ রাজনৈতিক দলগুলোর। আমরা আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করি। দলগুলো ইতিমধ্যে তাদের কাজ শুরু করেছে। তারা যখন মনোনয়ন ইসিতে জমা দেবে, তখন আমরা কাজ শুরু করব। ধরুন, বিএনপি ৩৫টি আসন পাবে। এখন তারা ৫০টি নাম প্রস্তাব করবে। সেখান থেকে নির্বাচন করে ৩৫টি চূড়ান্ত করা হবে। এই নির্বাচনে ভোট দেবেন দলীয় এমপিরা। নির্বাচন কমিশনের তেমন কাজ নেই। তবুও একটি শিডিউল ঘোষণা করা হবে। সেই প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি। ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন করতে হবে।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, আমি মাঝখানে অনেক দিন অসুস্থ ছিলাম। ঈদ তো মাত্র শেষ হলো। দলীয় ফোরামে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। দলে অনেক মনোনয়ন জমা পড়ছে। সেখান থেকে বাছাই করা হবে।

সময়ের আলো/আআ



  বিষয়:   সংসদ  সংরক্ষিত  নারী  আসন 


Loading...
Loading...
জাতীয়- এর আরো খবর
Loading...
Loading...
© 2026 Daily Shomoyer Alo
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড এর পক্ষে প্রকাশক মো. ফয়সাল রহমতউল্লাহ ফেরদৌস। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।
ফোন : ৪১০৬২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : ৪১০৬২৩৭৫
সময়ের আলোর খবর পেতে ফলো করুন: