প্রায় ৪০ দিনের বিরতি কাটিয়ে রোববার (২৯ মার্চ) থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনরায় শ্রেণিকক্ষে ফিরবে শিক্ষার্থীরা। তবে রোজা ও ঈদের ছুটির কারণে পড়াশোনায় বড় ধরনের ‘শিখন ঘাটতি’ তৈরি হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, পাঠ্যসূচি নির্ধারিত সময়ে শেষ করা এবং শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।
শুরুতে শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী ১৫ রমজান পর্যন্ত ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত থাকলেও, শিক্ষকদের আপত্তির মুখে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পুরো রমজান মাস ছুটি ঘোষণা করেন। এতে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ বিরতি পেলেও সিলেবাস শেষ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
শিখন ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে বিকল্প পদ্ধতি নিয়ে কাজ চলছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ক্লাস নেওয়া, প্রতিদিন অতিরিক্ত পিরিয়ড যুক্ত করা কিংবা স্বল্প সময়ের মধ্যে সিলেবাস সমন্বয়ের মতো বিভিন্ন প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে।
এদিকে রমজান ও ঈদের ছুটি শেষে পরপর ১০টি শনিবার দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চালু রাখা হবে। রমজান মাসব্যাপী বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিখন ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণ এবং নির্ধারিত পাঠসূচি যথাসময়ে শেষ করতে ধারাবাহিকভাবে ১০টি শনিবার বিদ্যালয় খোলা রেখে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সময়ের আলো/জেডআই