বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত এবং সরকারের তদন্ত নিয়ে মুখ খুললেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বোর্ড) বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম। গত শনিবার রাতে প্রায় দেড় মাস পর দেশে ফিরেছেন তিনি। দেশের বাইরে থাকায় বেশকিছু ইস্যু নিয়ে প্রশ্নের উদ্রেক ঘটেছে। তবে এক সাক্ষাৎকারে সে সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বিসিবি বস।
গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েও খেলতে যায়নি বাংলাদেশ। টাইগারদের ক্রিকেট ইতিহাসে এমন ঘটনা এবারই ঘটল প্রথম। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা-সমালোচনাও হয়েছে প্রচুর। এমন সিদ্ধান্তে আইসিসির সঙ্গে বিসিবির সম্পর্কও অবনতি হয়েছে। তৎকালীন সময়ে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকার কথা শোনালেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এবার গোটা বিষয়টাকে ‘সরকারের সিদ্ধান্ত’ বলে মন্তব্য করলেন বিসিবি সভাপতি।
আইসিসির সঙ্গে বিসিবির সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বুলবুল জানান, আলহামদুলিল্লাহ, বিষয়টি এখন পুরোপুরি সমাধান হয়ে গেছে (আইসিসির সঙ্গে টানাপোড়েন)। মাঝখানে অনেক কিছু ঘটেছে, যার সবকিছু হয়তো গণমাধ্যমে আসে না। সে সময় সরকারের যে সিদ্ধান্ত ছিল, তা আমাকে মেনে নিতে হয়েছে। আর এখন যে সরকার দায়িত্বে আছে, তাদের সিদ্ধান্তও আমাদের মানতে হবে। শুরু থেকেই বলে আসছি, আমরা সরকারের অধীনই কাজ করি।
বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়া ভুল ছিল কি না, সে প্রসঙ্গে বিসিবি প্রধান বলেন, এ নিয়ে কিছু না বলি। তবে খুব চেষ্টা করেছি। দিন শেষে আমিও তো একজন ক্রিকেটার।
গত মাসে দায়িত্ব বুঝে নেয়ার পরই বাংলাদেশের বিশ্বকাপে খেলতে না যাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এক্ষেত্রে বিসিবি কিংবা তৎকালীন সকারের কোনো কূটনৈতিক গাফিলতি ছিল কি না, সেটা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করেছে সরকার।
সেই তদন্ত কমিটি নিয়ে বুলবুল বলেন, পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। অনুসন্ধান তো সরকার করতেই পারে। তাদের কথা আমরা শুনব, শুনছি। আবারও বলছি, ফাহিম ভাইসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জাতীয় দলের স্কোয়াড ঠিক করেছিল। আমাদের যাওয়ার প্রস্তুতিও ছিল, কোথায় খেলবে, না খেলবে— সবই নির্ধারিত ছিল। তবে সরকারের সিদ্ধান্তকে সম্মান করতেই হবে।
সময়ের আলো/আআ